বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্মসম্পাদক সহ একাধিক পদে ১০ ছাত্রলীগ নেতা স্থান পেয়েছে। ১২৭ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ছাত্রলীগ সংশ্লিদের নিয়ে কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন জানান, ছাত্রলীগের সংখ্যাটা আরো বেশি হবে। এছাড়াও এই কমিটি প্রকাশে ববির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই নেতা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আমরা জানিও না এতসংখ্যক ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ হবে। ছাত্রদলের ত্যাগী এসব নেতা হাতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ।
অভিযোগকারীদের তথ্যানুযায়ী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ও বিগতদিনের ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ৪নম্বর সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল, ৩নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন, ২২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুল ইসলাম, ১১নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন, ১২নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. ইমরান, ২০নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ নুর কাফি, ৫ নম্বর সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ তাকভীর সিয়াম, ৯নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিতম দাস, ১০নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ণ বরন সরকার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রবিন আহমেদ তানভীর।
এবিষয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যাদের অবদান ছিলো তারা অন্যরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলেও যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদেরকে রাখা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে কমিটি দেয়া হয়েছে, এখানে নতুন করে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।







