জুলাই বিপ্লব ও গণভোটের রায় রক্ষাসহ ৩ দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশনে বসার ৭২ ঘণ্টা পার হলেও সরকার পক্ষ বা বিরোধী দল থেকে কোনো আশ্বাস না পেয়ে জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবাবের সদস্যদের অনুরোধে অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১০ এপ্রিল) বেলা তিনটায় শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ জাবেরের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবা ও জুলাই শহীদ পরিবাবের সদস্যরা গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়ে ডাবের পানি খাইয়ে তাদের অনশন ভাঙান।
এদিকে অনশন ভাঙার পর তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
অনশনে অংশ নিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের সাকিবুর রহমান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মোস্তাফিজ।
এদিকে গত কয়েক দিনে অনশনকারীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে রাজু ভাস্কর্যে আসেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আরমান হোসেন, ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের কামাল হোসেন এবং শেরপুর-১ আসনের রাশেদুল ইসলাম রাজু, জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ এবং বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য অনশনকারীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।







