শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। এ বিষয়ে ইসি সচিব জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা ও প্রতিবেদন পাঠাতে সংশ্লিষ্ট দুই আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ইসি সচিবালয়ের নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
সাংবাদিকদের ইসি সচিব আখতার আহমেদ আরও বলেন, "ভোট বর্জনের কথা আমি শুনেছি পৌনে ৪টায়। জাল ভোটের কারণে বয়কট করেছে। সারাদিন ধরে ভোট গেল, এখন শেষ হওয়ার ২০ মিনিট আগে জাল ভোট বলে বর্জন। এটা তাদের রাজনৈতিক ব্যাপার। এটা নিয়ে কোনো মন্তব্য নেই।"
তিনি বলেন, "তবে আমি আমার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বলেছি, আপনারা একটা প্রতিবেদন দেন। আর ফলাফলটা যেন দেরিতে না হয়। কারণ ফলাফলটা তো দিতে হবে।"
এর আগে দুপুরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপি নির্বাচনে ভোট কারচুপি, জালভোট, এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ সকালেই ফলাফল শিটে সই নিয়েছে ।
তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে সকালেই প্রিজাইডিং অফিসাররা ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নিয়ে নিয়েছেন, পরে জালভোট দেওয়া হয়েছে এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।
দুপুর ১২টা পর্যন্ত শেরপুরের ১৩টি কেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে এবং প্রশাসন অসহায় অবস্থায় রয়েছে।
জামায়াতের দাবি, গুরুতর অনিয়ম হওয়া কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে পুনরায় ভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রিজাইডিং অফিসারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
এনিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, জামায়াতের অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। কমিশন প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।







