ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য—এমন মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা।
সোমবার এক্স (সাবেক টুইটার) এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা নিরসনে একমাত্র কার্যকর পথ হলো কূটনৈতিক আলোচনা। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ইরানের জ্বালানি ও পরিবহন স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আলটিমেটাম দেন, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
সরাসরি হুমকি দিয়ে ট্রাম্প সেই পোস্টে লিখেন, “আগামী মঙ্গলবার হবে ইরানে ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে’ এবং ‘ব্রিজ ডে’, সব একসঙ্গেই ঘটবে। এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি! এখনই হরমুজ প্রণালি খুলে দাও পাগলের দল, নয়তো নরকে পড়তে হবে! শুধু দেখো। আল্লাহর কাছে দোয়া করো।”
ট্রাম্পের এই পোস্ট থেকে পরিষ্কার, মার্কিন বাহিনী এখন ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো লক্ষ্যবস্তু করছে। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে মঙ্গলবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকির বিষয়ে আন্তোনিও কস্তা বলেন, ‘বেসামরিক অবকাঠামো, বিশেষ করে জ্বালানি কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা অবৈধ এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন শুরু থেকেই এমন ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান প্রসিকিউটর লুইস মোরেনো ওকাম্পো এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইনে অপরাধ। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়া এমন আক্রমণ বৈধতা পেতে পারে না।







