ফের ইরানের হুঁশিয়ারি: তেলের ব্যারেল হবে ২০০ ডলার

Post Image


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা আঘাত করছে ইরান। পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে বুধবারও হামলা হয় তিনটি জাহাজে। ইরানের সামরিক কমান্ড হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের মুখোমুখি হতে হবে বিশ্বকে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি পৌঁছাতে পারে ২০০ ডলারে।


যুদ্ধ শুরুর পর তেলের দামের উলম্ফন ঘটায় বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ সপ্তাহের শুরুতে দাম কিছুটা কমেছে, সেই সঙ্গে ঘুড়ে দাঁড়ায় শেয়ারবাজার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার কোনো উপায় বের করবেন—এমন আশা থেকে কিছুটা লাগাম পড়ে তেলের বাজারে।


তবে বাস্তবে সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।


এমনকি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালিকে নিরাপদ করতেও ব্যর্থ হচ্ছেন ট্রাম্প।এমন অবস্থায় ইরানের উপকূলঘেঁষা এই সরু প্রণালি বলতে গেলে অচল হয়ে পড়েছে। ১৯৭০-এর দশকের পর এত বড় সংকট আর কখনো দেখা যায়নি।

ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বুধবারও ব্যাপক হামলা চালায় ইরান।


পাশাপাশি দেশটির সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ওয়াশিংটনের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। জ্বালানির দাম নির্ভর করে আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর। আর আপনারাই সেই নিরাপত্তা অস্থিতিশীল করেছেন।


মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেও হামলার নিশানা করার হুমকি দেন জোলফাকারি।


এর আগে তেহরানে এমন একটি ব্যাংকের কার্যালয়ে রাতভর হামলা হয়। জোলফাকারি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে ব্যবসা করে এমন ব্যাংকগুলোর ওপরও ইরান হামলা চালাবে। মধ্যপ্রাচ্যের লোকজনের এ ধরনের ব্যাংক থেকে অন্তত এক হাজার মিটার দূরে থাকতে হবে।’

পারস্য উপসাগরে অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তুর আঘাতে বুধবার তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ ধরনের হামলার মুখে পড়া জাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪টিতে।


এদিকে, সম্ভাব্য ভয়াবহ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বৈশ্বিক কৌশলগত মজুত থেকে রেকর্ড ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ের সুপারিশ করতে পারে। তবে এটি বাস্তবায়নে কয়েক মাস সময় লাগবে।


বিশেষজ্ঞদের আশংকা যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি তত বাড়বে। আর শেষপর্যন্ত এই যুদ্ধে ইরানের শাসকগোষ্ঠী বিজয়ী হলে তা ব্যাপক প্রভাব ফেলবে মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বে।

এই বিভাগের আরও খবর

আন্তর্জাতিক

News Image

কাতারে শুরু প্রথম বাংলাদেশি আম উৎসব

বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

‘ইরান আক্রান্ত হলে পুরো বিশ্বকেই চরম মূল্য দিতে হবে’

ফের ইরানের হুঁশিয়ারি: তেলের ব্যারেল হবে ২০০ ডলার

যে কারনে দুবাইকে টার্গেট করছে ইরান

ইরাকে হামলায় ১৩ মার্কিন সেনা নিহত

অনুমতি ছাড়া চিঠি পাঠিয়ে পদ হারালেন জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা

ইসরায়েলে সবচেয়ে তীব্র হামলা চালিয়েছে ইরান

হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের ১৬ ‘মাইন বসানো’ নৌযান ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

মারা গেছেন নেতানিয়াহু?

সর্বাধিক পঠিত

‘এবার গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না’, ট্রাম্পের রক্তাক্ত ছবি দেখিয়ে হুমকি ইরানের

এপস্টেইন কাণ্ডে কংগ্রেসের সামনে সাক্ষ্য দিতে রাজি ক্লিনটন দম্পতি

পাকিস্তানে ব্যাপক সংঘর্ষে ২২ সেনাসহ ২৫৫ জন নিহত

সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে

ভারতের মহারাষ্ট্রে অমুসলিমকে হজ কমিটির প্রধান নিয়োগে ক্ষোভ

ফের যুদ্ধে জড়াচ্ছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান

সব জায়গায়ই ভূত দেখেন নেতানিয়াহু, মার্কিন কর্মকর্তার কটাক্ষ

জাপানে ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

৩ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বাংলাদেশে

দুই বছরে ইসরায়েলি কারাগারে ৯৮ ফিলিস্তিনি নিহত