উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে 'জনশক্তি সমাবেশ ২০২৬ ও ইফতার মাহফিল' অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি, রোজ শুক্রবার (৯ রমাদান) উত্তরার জমজম কনভেনশন হলে জুমার নামাজের পর থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে মাগরিব পর্যন্ত চলে। আয়োজিত এ সমাবেশে উত্তরার প্রায় অর্ধসহস্র শিবির শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় বায়তুলমাল সম্পাদক মু. আনিসুর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস. আই. সায়েম, অফিস সম্পাদক তাহমিদ হুজায়ফা, অর্থ সম্পাদক মীর সাব্বির হোসাইন এবং উত্তরা অঞ্চলের এইচআরডি সম্পাদক মামুনুর রশিদ পণ্ডিত।
আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক আলী আহমদ মাবরুর, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক কামরুল হাসান, জামায়াতে ইসলামী উত্তরা পশ্চিম থানার আমীর অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, পশ্চিম থানার সেক্রেটারি ফিরোজ আলম, দপ্তর সম্পাদক জি. এম. আসলামসহ অনেকে।
অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। উত্তরা পশ্চিম থানার বায়তুলমাল সম্পাদক মাবরুর বিন ইকবালের সঞ্চালনায় সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইসলামী ছাত্রশিবির উত্তরা পশ্চিম থানার সভাপতি আহমদ সামরান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন বলেন, “আগামীর বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আজকের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু এগিয়ে আসলেই হবে না; বরং তাদেরকে ইসলামী মূল্যবোধের ওপর নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে কাঙ্ক্ষিত মানে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশে ছাত্রশিবির ছাড়া বাংলাদেশে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থী গড়ে তোলায় কার্যকর সংগঠন খুবই কম।”
তিনি ছাত্রশিবিরকে এ ধরনের আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “উত্তরা পশ্চিম থানাকে এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাই। শিবির যেভাবে চব্বিশের অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইলে তার রক্তচক্ষু উপড়ে ফেলবে। তাদের জন্য অফুরন্ত দোয়া ও শুভকামনা রইল।”
অত্যন্ত শৃঙ্খলা ও মনোযোগ সহকারে সকল জনশক্তি এ আয়োজন উপভোগ করেন। উত্তরা পশ্চিম থানার শিল্পীবৃন্দের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত ও আনন্দমুখর হয়ে ওঠে। সম্মিলিত দোয়া-মুনাজাত ও ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।







