হাসিনাকে উদ্ধারে বিমানঘাঁটি ও কমান্ডো প্লাটুন প্রস্তুত রেখেছিল ভারত

Post Image

পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সেনা হত্যাযজ্ঞের তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে ঘুরেফিরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাতিজা ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের নামই বেশি এসেছে। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এই স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাপসের সংশ্লিষ্টতার আদ্যোপান্ত খুঁজে বের করেছে। এই হত্যাযজ্ঞে হাসিনার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও উঠে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের সময় হাসিনাকে উদ্ধারে বিমানঘাঁটি ও কমান্ডো প্লাটুন প্রস্তুত রেখেছিল ভারত।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি) সদর দপ্তরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ১১ মাস ধরে তদন্ত করে প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিয়েছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৬ মার্চ ২০০৯-এ India Today-তে প্রকাশিত ‘More than a Mutiny’ নামক এক প্রবন্ধে সৌরভ শুকলা লেখেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এ ভারত শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে। ত্রিপুরায় একটি সম্মুখবর্তী বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে দুটি এবং কলকাতায় একটি কমান্ডো প্লাটুন, সে জন্য প্রস্তুত রাখা হয়। (সূত্র : সংযোজনী : ৫৭)

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর পুরো পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয় এবং সমন্বয়ের জন্য তাপসের অফিস ও বাসায় একাধিক বৈঠক হয়। তাপসের অফিসে এ রকম এক বৈঠকে বসেই ভারতীয় গোয়েন্দাদের নিয়ে পিলখানা হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। ভারতীয় কমান্ডো ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ২৪ জন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কমিশন তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে।

ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার তাপসের ফুপু। শেখ পরিবারের আরেকজন প্রভাবশালী সদস্য বর্তমানে পলাতক শেখ সেলিমও এই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন বলে তদন্ত কমিশন সাক্ষ্যপ্রমাণে নিশ্চিত হয়েছে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজও এই পরিকল্পনার কথা জানতেন।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ভারতের সহায়তায় ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের পাতানো নির্বাচনে হাসিনা ক্ষমতায় বসেন। এরপর পরিকল্পিত উপায়ে মাত্র দুই মাসের মধ্যে দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের পর্যায়ক্রমে বিডিআরে পদায়ন করা হয়। এর আগে রৌমারী, বড়াইবাড়ী ও পদুয়া সীমান্তে বিডিআরের হাতে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যদের হত্যার প্রতিশোধ, সেনা মনোবল ভেঙে দিয়ে বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য বিস্তারের বাসনা নিয়ে সুপরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বলে কমিশন মনে করে|

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এ ভারত শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে। ত্রিপুরায় একটি সম্মুখবর্তী বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে দুটি এবং কলকাতায় একটি কমান্ডো প্লাটুন, সে জন্য প্রস্তুত রাখা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

হাইকোর্টে রিট করেছেন নুসরাত

ড. ইউনূসের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র আপিলেও বাতিল

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক

ঢাকা দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক ইসহাক, সদস্য সচিব শাহরিয়ার

‘গুপ্ত রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি বাংলাদেশ ছাত্র জমিয়তের

আবিদুলের অভিযোগের জবাব দিলেন সাদিক কায়েম

জুলাই আন্দোলনে গুলি চালানো সোলায়মান ফের আ.লীগের মিছিলে

সর্বাধিক পঠিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়বে জামায়াত

পাবনায় দলীয় নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় জামায়াতের প্রতিক্রিয়া

১০ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে জনবান্ধব দেশ গড়ে তুলব

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ ডেকেছে জামায়াত

নতুন করে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাইলে জনগণ জবাব দেবে

বহিষ্কার ও গণপদত্যাগে সংকটে মুন্সীগঞ্জ বিএনপি

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের প্রস্তাব চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে: সালাহউদ্দিন

নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের লাল কার্ড -গোলাম পরওয়ার

এনসিপির নির্বাচনি অফিসে হামলা-ভাঙচুর, আহত ২

নির্বাচনে অংশ নিলেও জামায়াত একটি আসনও পাবে না: মহিবুল্লাহ বাবুনগরী