হাসিনাসহ পলাতকদের দেশে এনে শাস্তি কার্যকরের দাবি আখতারের

Post Image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের দেশে ফেরত এনে শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকারের কাছে আমরা আহ্বান জানাব, শেখ হাসিনাসহ যারা ফাঁসির আসামি আছে, যারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আছে, তারা বিদেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তির কার্যকর করতে হবে। এই দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি।

বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও প্রসিকিউশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে তিনি এ দাবি জানান।

আখতার হোসেন বিএনপি সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, কোনোভাবেই যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার মন্থর গতিতে না আসে। কোনোভাবেই যেন বিচার বাধাগ্রস্ত না হয়। বরং এই বিচারকে গতিশীল করার জন্য যে ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট প্রয়োজন তা দিতে হবে। আমরা আহ্বান জানাই, যে ঘটনাগুলোতে এখনও মামলা হয়নি, সেগুলোতে যারা আসামি হবে, তাদের প্রত্যেককে আন্তর্জাতিক আইনকানুন মাথায় রেখে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসে যাতে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা শপথের বিষয়ে আখতার হোসেন বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের মধ্য দিয়েই এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশের একটা অংশ অর্থাৎ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিলেন। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা (বিএনপি) শপথ নিলেন না। এ বিষয়টা আমাদের সামনে স্পষ্টত তুলে ধরে যে, যে বিষয়টা তাদের ক্ষমতা গ্রহণের জন্য পছন্দসই তারা শুধুমাত্র ততটুকু মানবেন। আর যেটা তাদের ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে পারে সেই অংশগুলোকে তারা বাদ দিয়ে দিবেন। এ ধরনের একটা মনোভাব তাঁরা প্রথম দিকে প্রকাশ করেছেন।’

আখতার হোসেন আরও বলেন, আমরা জানি, শুরুতেও সংস্কারের বিপক্ষে তাদের (বিএনপি) অবস্থান ছিল। সংস্কার কমিশনেও তারা সংস্কারের বিপক্ষে ছিল। যখন “হ্যাঁ” এবং “না” ভোটের ক্যাম্পেইন চলে ছাত্রদল তাদের অফিশিয়াল পেজে না ভোটের ক্যাম্পেইন করছে, তাদের বুদ্ধিজীবীরা না ভোটের ক্যাম্পেইন করেছে। শেষে গিয়ে জনগণের চাপে পড়ে তারেক রহমান রংপুরে গিয়ে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। এত বড় বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে বিএনপি যদি ওভারটেক করার চেষ্টা করে, জন চাপে পড়েই তারা এটা আর পারবে না। তারা জল ঘোলা করে জন চাপে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিতে বাধ্য হবে।

আখতার হোসেন আরও বলেন, দুটি মামলায় ট্রাইব্যুনালে তার সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। সেই বিষয়ে খোঁজ নিতে ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন। তার মধ্যে একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহিংসতা এবং অপরটি হচ্ছে ২০২১ সালে মোদিবিরোধী আন্দোলনে চালানো হত্যাকাণ্ড।

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

চাঁদাবাজি ঠেকাতে না পারলে ক্ষমতা ছেড়ে দিন: সারজিস আলম

জুলাই শহীদ পরিবারকে কোটি টাকা প্রদানসহ তিন দাবি এনসিপির

প্রধানমন্ত্রী সংস্কার নামে প্রতারণা করছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

‌‘আবু সাঈদের চেতনা নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, ন্যায়বিচারের পক্ষে জাগিয়ে তুলছে’

‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি ছাত্রদল বেইমানি করবে না’

‘ভারতকে খুশি করার জন্য সংবিধান বানিয়েছিল শেখ মুজিব’

হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ১৮ বারের মতো পেছাল

ডাকসুকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ‘অসহযোগিতা’, জামায়াত আমিরের উদ্বেগ

সর্বাধিক পঠিত

‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনার বাবাকে কবর থেকে ক্ষমা চাইতে বলেন’

তারেক রহমানের সঙ্গে মঞ্চে বহিষ্কৃত সাক্কু!

ভোট চুরি হতে পারে, ফলাফল না নিয়ে ফিরবেন না:ডা. শফিকুর রহমান

গণভোট না হলে জাতীয় নির্বাচন হবে ২০২৯ সালে

বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, পাত্রী কে?

‘জামায়াত পরিশুদ্ধ না হলে বীরবিক্রম এবং মুক্তিযোদ্ধা তাদের সঙ্গে গেল কীভাবে?’

দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জোনায়েদ সাকি

‘আমাদের জীবনের চাইতে মা-বোনদের ইজ্জতের দাম অনেক বেশি’

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিডিআরের নাম পুনর্বহাল করা হবে : তারেক রহমান

প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে তাসনিম জারার স্ট্যাটাস