ড. ইউনূসের নতুন ঠিকানা কোথায়?

Post Image

শেষ হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই সঙ্গে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নবনির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। তবে ক্ষমতা ছাড়লেও এখনো বাসভবন ছাড়েননি তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার প্রাক্কালে ড. ইউনূসের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সরকার চাইলে তিনি সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে কোনো পদে থাকতে পারেন বা তাকে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি পদেও রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

রাষ্ট্রের মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টাকে নিয়োগের পর এই ব্যাপারটি আরো জোরদার হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস। 

কিন্তু ভিন্ন একটি সূত্রে জানা গেছে, তিনি বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহ থাকার পর প্যারিস চলে যাবেন। তাই অনেক বিশ্লেষকদের মত, তিনি বঙ্গভবনে যাচ্ছেন, নাকি প্যারিসে উড়াল দিচ্ছেন, সেটা সময় বলে দেবে। 

তবে ড. ইউনূসসহ কাউকে নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পদ চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

তার ভাষ্য, তারেক রহমান অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাস করেন এবং দেশের সেরা মেধাবীদের সম্পৃক্ত করতে চান। সেই পরিসরে ড. ইউনূসের সঙ্গেও কথা হতে পারে, তবে কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা হয়নি।

তিনি আরো বলেন, রাজনীতিতে কোনো কিছুই একেবারে অসম্ভব নয়। দেশের স্বার্থে দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের কাজে লাগাতে আগ্রহী তারেক রহমান। উন্নয়ন ভাবনাকে দলীয় সীমার বাইরে নিয়ে যাওয়ার পক্ষেও তিনি।

তবে তিনি এখন পর্যন্ত কোনো সাংবিধানিক পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি।

অন্যদিকে, ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে।

তার মতে, দেশের ভেতরে কিছু সমালোচনা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ড. ইউনূসের গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা উচ্চ পর্যায়ের। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মনোযোগী এক প্রধানমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এক রাষ্ট্রপতির সমন্বয় কার্যকর হতে পারে।

তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের আলোচনায় রাষ্ট্রপতির পদ প্রসঙ্গও উঠেছিল। তবে বিএনপি এবং ড. ইউনূসের প্রেসসচিব উভয় পক্ষই এমন আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে বার্গম্যান।

ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেন ড. ইউনূস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে ড. ইউনূসের প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে অন্য কোনো সরকারি বা সাংবিধানিক পদে যাওয়ার আগ্রহ তার নেই। তিনি আগের কাজেই ফিরে যেতে চান। তার লক্ষ্য শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণের ধারণা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া।

তিনি আরো বলেন, এর পাশাপাশি নতুন সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগ গড়ে তোলা এবং তরুণদের সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার। এ বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে এমন তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা আনতে চায় সরকার

সাইবার অপরাধ দমনে চীনের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ পুলিশ

সরকারি কলেজে শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন স্থগিত

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বিটিএমএ নেতাদের মতবিনিময়, সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখার আশ্বাস

সরকারি কলেজে শিক্ষকদের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

দাওয়াত না পেয়ে মাতবরের অভিমান, টিসি নিল প্রাথমিকের ২৬ শিক্ষার্থী

পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক এমপি গ্রেপ্তার

হুতিদের হামলায় সৌদিতে প্রাণ গেল বাংলাদেশির

সর্বাধিক পঠিত

নাসিরউদ্দীনের গালি শুনে আমরা অভ্যস্ত : সিইসি

হারিয়ে যাওয়া ৫১টি মোবাইল প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দিলো পুলিশ

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৮ জুন

বাংলাদেশ–সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক জোরদারে কাজ করার আশাবাদb

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ হবে আজ

দুর্নীতির মামলায় তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু

এনসিপির জাতীয় কনভেনশন আজ,কোন সেশনে কি থাকছে

নতুন পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ, আলোচনায় যেসব ইস্যু

প্রশ্নফাঁসের ‘গুজবে’ কান না দেওয়ার অনুরোধ শিক্ষামন্ত্রীর

ইসলাম শ্রমিককে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে: ইফা ডিজি