লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ‘আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। দীর্ঘদিন বিএনপির সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু যখন বুঝলাম বিএনপি আর বেশিদিন টিকবে না, তাদের চিকিৎসা দরকার—সেদিনই বিএনপি ত্যাগ করেছি।’
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার টানেল চত্বর এলাকায় ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে কর্নেল অলি বলেন, ‘অনেকে বলে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে নারীদের স্বাধীনতা হরণ করবে এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে তাদের ধর্ম পালনে বাধা দেবে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কারো ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় আমরা হস্তক্ষেপ করব না। বরং যারা নিজের ধর্ম ঠিকমতো পালন করে না, তারাই অন্যের ধর্মে হস্তক্ষেপ করে।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ পর্যন্ত যা করার করে ফেলেন।
১২ তারিখ এ দেশের জনগণ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে আপনাদের ভাতের হোটেল বন্ধ করে দেবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা ইসমাঈল হক্কানী। আনোয়ারা উপজেলা ও কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আবুল হাসান খোকা ও নুরউদ্দীন জাহাঙ্গীর যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, নেজামে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগর আমীর মাওলানা জিয়াউল হুসেইন জিয়া, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমির হাফেজ মাহবুবুর রহমান হানিফ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি জুনু মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, চট্টগ্রাম পশ্চিম জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুর রহিম এবং খেলাফত মজলিস আনোয়ারা উপজেলা সভাপতি মাওলানা মুফতি ইমরান ইসলামাবাদীসহ ১১ দলীয় জোটের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।







