ডা. খালিদুজ্জামান সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ঢামেক অধ্যাপক

Post Image


চিকিৎসা জগতে সাম্প্রতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের পেশাগত অবদান ও যোগ্যতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন সহকারী অধ্যাপক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা মন্তব্য ও সমালোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি এসব তথ্য জনসমক্ষে আনেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যথা বিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আহাদ হোসেন জানান, ডা. খালিদুজ্জামান বাংলাদেশে এমব্রায়োলজি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনকারী অগ্রণী চিকিৎসকদের একজন। ২০১৬–১৭ সালে তিনি যে রেসিডেন্সিয়াল ও পূর্ণকালীন ডিগ্রি সম্পন্ন করেন, সে ধরনের ডিগ্রি তার আগে দেশে কেউ অর্জন করেননি বলে দাবি করেন তিনি।

এমব্রায়োলজি বিষয়টি ইনফার্টিলিটি চিকিৎসার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে ডা. আহাদ হোসেন বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে এই খাতে মূলত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পেশাজীবীদের মাধ্যমেই কাজ চলছিল। ডা. খালিদুজ্জামানই প্রথম ব্যক্তি, যিনি বিদেশে অবস্থান করে রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতিতে পূর্ণাঙ্গ উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

ডা. আহাদ হোসেনের বক্তব্য অনুযায়ী, ডা. খালিদুজ্জামান অ্যাপোলো হাসপাতাল (বর্তমান এভারকেয়ার) ছাড়াও দেশের একাধিক প্রতিষ্ঠানে ইনফার্টিলিটি চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম টেস্টটিউব বেবি এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রথম টেস্টটিউব বেবি কার্যক্রমেও তার অবদান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, কর্মজীবনের শুরু থেকেই ডা. খালিদুজ্জামান একজন দক্ষ এমব্রায়োলজিস্ট হওয়ার লক্ষ্যে প্রাইভেট সেক্টরে কাজ শুরু করেন। এভারকেয়ার হাসপাতালে যোগদানের আগে তিনি তার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে পরামর্শও চেয়েছিলেন বলে জানান ডা. আহাদ হোসেন।

বিএমডিসির স্বীকৃতি প্রসঙ্গে ডা. আহাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) মূলত দেশে অর্জিত ডিগ্রিগুলোর স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। বিদেশি ডিগ্রির স্বীকৃতি সরকারি চাকরিতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হলেও বেসরকারি খাতে কাজের ক্ষেত্রে তা সব সময় বাধ্যতামূলক নয়। অনেক ক্ষেত্রেই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাই প্রধান বিবেচ্য বিষয় হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, “প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য বিএমডিসির স্বীকৃতি সব ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ে না। যিনি এমবিবিএস পাস করেছেন, তিনি বাংলাদেশে চিকিৎসা পেশায় কাজ করার জন্য যোগ্য।”

সাম্প্রতিক বিতর্কের ফলে ডা. খালিদুজ্জামানের পেশাগত পরিচয় ও অবদান নতুন করে আলোচনায় এসেছে উল্লেখ করে ডা. আহাদ হোসেন বলেন, এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ জানতে পেরেছে তিনি কোন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ এবং দেশের চিকিৎসা জগতে তার অবদান কী।

ডা. আহাদ হোসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক এবং ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত।

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে ভোটে হারা সেই জসিমের দলের পদ স্থগিত

‘ভিপি নুরের নির্দেশ, ৫ লাখ টাকার কম হবে না’, আলোচিত সেই নেতা কারাগারে

‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’: সালমান মুক্তাদিরের মন্তব্যের জবাব দিলেন নাসির

সাইবার আইনের নামে জনগণের কণ্ঠ রোধ মেনে নেওয়া হবে না

শাহবাগে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলা, ৫ মাস পর প্রতিবেদন জমা দিল তদন্ত কমিটি

ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু

ভারতীয় মাদ/কসহ ধরা পড়েও শাস্তি পাননি রাবি ছাত্রদল নেতা হাসিব

রাবিতে সাংবাদিকদের হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও বিচার চায় সিজেপি

সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক ইসহাক, সদস্য সচিব শাহরিয়ার

ফজলুর রহমানকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি নেতাকর্মীদের যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সিন্ডিকেটে দেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলা হয়েছে: শিবির সভাপতি

গত ৫২-৫৪ বছরেও দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়া পূরণ হয়নি

রাশেদের আক্রমণের মুখে তুষার বললেন, ‘কোথায় বিয়ে করেছি’

রেজাল্টের আগ পর্যন্ত ভালো কি মন্দ হচ্ছে তা বলবো না: মুফতি ফয়জুল করিম

সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক রেজা হাসান

হেলমেট-চাপাতির রাজনীতি টিকবে না: আসিফ আকবর

শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে জামায়াতের ৪ এমপির ভোগান্তি