ভালো নির্বাচন করতে ব্যর্থ হলে দেশের স্বাধীনতা সর্বসম্মতভাবে হুমকির মুখে পড়বে, এবং জনগণকে চরম খেসারত দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালো নির্বাচন ব্যর্থ হলে দেশের স্বাধীনতা সর্বসম্মতভাবে হুমকির মুখে পড়বে। ফলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি সব কথা বলেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এই সরকার আর খুব বেশিদিন নাই। ইতিমধ্যে এক মাসেরও কম সময় এখন আছে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের। জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পরপরই দেশে একটি সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার যদি দেশপ্রেমিক হয়, যদি মানুষের অনুভূতি ধরতে পারে, তাহলে দেশ সমৃদ্ধিশালী হবে, শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাবে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা পাবে। এই কারণে আগামী ১২ তারিখে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে ভালো করার জন্য যে কাজগুলো করা দরকার তার মধ্যে অন্যতম হলো মানুষ যেন নির্বিঘ্নে, নির্ভয়ে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে। এটি আমাদের করতে হবে। কারণ গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি, ভোট আগেই হয়ে যেত।
দুদু বলেন, নির্বাচনের জন্য জরুরি হলো তড়িৎভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা। আইনশৃঙ্খলা যেন ভালো থাকে— এটা দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা। সেই কারণে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার জানে বিষয়টি, তারপরেও এখনো পর্যন্ত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি।
তিনি বলেন, এই অবহেলার কারণেই ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ড ঘটছে। আমাদের তরুণ ছাত্রনেতা হাদিও এর শিকার হয়েছে। ভালো নির্বাচনের জন্য এখনো যে কয়দিন সময় আছে, এই সময়কে ব্যবহার করে তড়িৎগতিতে বৈধ ও অবৈধ সব অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।
এসময় জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, মুখপাত্র এস এম শাহাদাতসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।







