আ. লীগ ৩ বার ক্ষমতা এসে কাড়ি কাড়ি লাশ উপহার দিয়েছে

Post Image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ তিন দফায় ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে ছোপ ছোপ রক্ত আর কাড়ি কাড়ি লাশ উপহার দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর)

বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, মাত্র পৌনে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে তটস্থ করে তুলেছিল

 এরপরে তাদের কার্যক্রমের পরিণতি হিসেবে দুনিয়া থেকে তারা বিদায় নিয়ে ছিলেন।

কে সেদিন তাদেরকে হত্যা করেছিল? যারা ৭১-এর রণাঙ্গনে বুক চিতিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিল, সেই সৈনিকরা কেন তারা সেদিন ক্ষেপে গিয়েছিল?

এর উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে, জাতিকে নয়।

তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম ৭২ এর ১০ জানুয়ারি থেকে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে যে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল, একনায়কতন্ত্র কায়েম হয়েছিল, যার পরিণতি স্বচক্ষে দেখেছে এদেশের মানুষ; এটা থেকে আওয়ামী লীগ শিক্ষা নিবে। কিন্তু, ওই যে কথা আছে— কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না, সাবান আর সার্ফ এক্সেল যা দিয়েই পরিষ্কার করেন না কেন, কালো কয়লা আরো কুচকুচে কালো হয়; আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে।

আওয়ামী লীগ তিন দফায় মসনদে এসেছিল উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, তিনবার তারা ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে ছোপ ছোপ রক্ত আর কাড়ি কাড়ি লাশ উপহার দিয়েছেন।

৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার আগে হাত জোড় করে তারা জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন— অতীতে আমাদের দল বাংলাদেশের জনগণের সাথে যে অন্যায় আচরণ করেছে, যে জুলুম করেছে, আমরা বিনা শর্তে মাফ চাই; একটি বারের জন্য আমাদের আপনারা ক্ষমতায় দিন, আমরা ভালো হয়ে গেছি। এখন দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চাই। হাতে তসবি ছিল, মাথায় ঘোমটা ছিল; জনগণ সহজ-সরলভাবে ধারণা করেছিল, তাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু না, যখনই তারা মসনদে বসলেন, তারা আপন রূপে আত্মপ্রকাশ করলেন।

ডা. শফিকুর রহমান জানান, একটা হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের নেতাদেরকে তিরস্কার করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে গিয়ে বলেছিলেন— তোমরা কি হাতে চুড়ি পড়ে বসে আছো? তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন— আর যদি আমার দলের একটা মানুষকে হত্যা করা হয়, তাহলে তার বিনিময়ে ১০টা লাশ ফেলে দিতে হবে। এই ছিল একজন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বজ্ঞানহীন হুংকার, আস্ফালন। তারা তাই করেছিলেন। সেই সময়টা খালে-বিলে, নদী-নালায়, জঙ্গলে, হাটে-মাঠে সর্বত্র মানুষের টুকরা টুকরা লাশ পাওয়া যেত। এরপরে জনগণের দ্বারা তারা প্রত্যাখ্যাত হলেন

তিনি আরো বলেন, আবার অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর প্রকাশ্য দিবালোকে পল্টন মোড়ে সাপকে যেভাবে মারা হয়, সেইভাবে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করা হল। এমনকি বিশ্ব বিবেকের মানবতাকে লজ্জা দিয়ে সেদিন মাটিতে পড়ে যাওয়া নিথর শরীরের উপর উঠে তারা লাফালাফি-নাচানাচি করেছিল। এরা কোন প্রজাতি, এরা কি আসলেই মানুষ প্রজাতি? পশুও এরকম আচরণ করে না।

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

সরকারি সুবিধা নামে বিএনপি নেতার প্রতারণা, পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

দুই মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে জনগণ হতাশ

এনসিপিতে চার মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

১৮ কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিলো ছাত্রদল

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে স্বস্তি পেলেন দুই শ্রেণির মানুষ।

রোহিঙ্গা সংকটে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

যেকোনো সময় ছাত্রদলের কমিটি, কপাল পুড়তে পারে বিতর্কিতদের

পুলিশের ওপর হামলা: ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ও দল থেকে বহিষ্কার

সর্বাধিক পঠিত

৩০ দফা ইশতেহার ও ১২ বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

প্রয়োজনে দেশের মানুষ ভোটের জন্য জীবন দেবে: আসিফ মাহমুদ

হাদিকে বিদেশে নেয়ার পরিকল্পনা

হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে, রায়ও বাস্তবায়ন হবে

এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপির সামান্তা শারমিন

সামনে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে : মির্জা ফখরুল

ঢাকা-১৯ আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা ও নারী হেনস্তা: ১১ দলীয় জোটের তীব্র নিন্দা

গণঅভ্যুত্থানের সেই আইকনিক জার্সিতে সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

একটি বিশ্বমোড়ল ও দুটি ‘আঞ্চলিক শক্তি’ প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে: সালাহউদ্দিন

জুলাই সনদ ও গণভোট প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান জাতির সাথে গাদ্দারির শামিল