আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘নিপীড়ন-বিরোধী দিবস’ পালনের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছিল কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রশিবির। এতে অতিথি ছিলেন জেলা শিবিরের অফিস সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব আনসারী। বেলা আড়াইটায় শাখা সংগঠনটির ফেসবুক পেজে অনুষ্ঠানের ছবি প্রচারের আধা ঘণ্টার মাথায় সেটি হয়ে গেছে ছাত্রদলের আয়োজন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের অফিশিয়াল পেজ থেকে নিজেদের অনুষ্ঠান বলে শিবিরের সভার ছবি প্রচার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মসজিদে এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আলোচনা সভার শেষাংশে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী যুক্ত হন। তারা দোয়া পরিচালনা পর্যন্ত এতে অংশ নেন।
পরে বেলা ৩টা ৭ মিনিটে অফিশিয়াল পেজে অনুষ্ঠানের তিনটি ছবি পোস্ট করে ছাত্রদল। এতে অনুষ্ঠানটিকে নিজেদের বলে দাবি করা হয়। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দুঃশাসনে বর্বর সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের নির্যাতনে শহীদ বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী ও দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।’
অপরদিকে ছাত্রশিবির কক্সবাজার পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট শাখার ফেসবুক পেজে শেয়ার করা ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘নিপীড়ন-বিরোধী দিবস’ পালনের অংশ হিসেবে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সাবজার জেলা ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব আনসারী বলেন, কেন্দ্রঘোষিত ‘নিপীড়ন-বিরোধী দিবস’ উপলক্ষে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা তাদের মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। সেখানে জেলা অফিস সম্পাদক ও কক্সবাজার কলেজ সভাপতি হিসেবে আমি প্রধান অতিথি ছিলাম। আমি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় শেষ দিকে ছাত্রদলের পরিচয়ে কয়েকজন এসে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়।
তিনি বলেন, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদলের কোনো কমিটি নেই। কিন্তু তারা ছাত্রদল কর্মী পরিচয় দিয়ে আমাদের সঙ্গে মোনাজাতে শরিক হতে চায়। তারা বলতে চায় যে তাদের দোয়া-মোনাজাত কর্মসূচি আছে। বলে যে আবরার ফাহাদ তো একার কারো নয়, আমাদের সবার, আসেন একসাথে দোয়া-মোনাজাত করি। কিন্তু আমার আরেকটি জরুরি প্রোগ্রাম থাকায় তখন সেখান থেকে বের হয়ে আসি। পরে মসজিদের পেশ ইমাম মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় ছাত্রদলের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ওই ছবিটি ছাত্রদলের পেজে প্রচার করা হয়েছে।







