৭ নভেম্বর ইতিহাসের বাঁক বদলের এই দিনে শুরু হয় গণতন্ত্রের অভিযাত্রা

Post Image

ইতিহাসে বিপ্লব আসে পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে কিন্তু প্রতিটি পরিবর্তন কি শেষ পর্যন্ত মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে? ক্যালেন্ডারের পাতায় এমন কিছু তারিখ থাকে, যা শুধু অতীত মনে করিয়ে দেয় না; বর্তমানকেও দাঁড় করায় নাগরিক প্রশ্নের মুখে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমনই এক বাঁক; যে অভ্যুত্থান বদলে দিয়েছিল সদ্য স্বাধীন একটি রাষ্ট্রের ক্ষমতার সমীকরণ। যেখানে জড়িয়ে ছিল গণতন্ত্র, অধিকার ও একটি দেশের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। কেননা, বিপ্লবের সার্থকতা তো কেবল ক্ষমতার পরিবর্তনে নয়; সাধারণ মানুষের জীবনের পরিবর্তনেও।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, অভ্যুত্থান করেছে প্রথমে একদল সৈনিক ফারুক রশীদের নেতৃত্বে। তারপর ব্রিগেডিয়া খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে। সবশেষ কর্নেল তাহেরের স্ফুলিঙ্গে, বারুদের স্তূপে দেয়াশলাইয়ের কাঠিটা কর্নেল তাহের জ্বালিয়েছেন। ফলে পাদপ্রদীপের আলোয় এসেছেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।

অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে বাংলাদেশ আবারও দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক নতুন বাস্তবতায়; যেখানে দীর্ঘ সময় পর আবারও রাষ্ট্রীয়ভাবে ফিরেছে ৭ নভেম্বর। কিন্তু একটি দিবস রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেই কি তার ইতিহাসের সব প্রত্যাশার অবসান হয়? প্রশ্নটি তাই আজও প্রাসঙ্গিক রাষ্ট্র বদলাবে, সরকার বদলাবে; বদলাবে কি মানুষের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা?

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সাম্প্রতিককালে মাফিয়া সরকারের যে পতন, গণতন্ত্র যে মুক্তি পেল, কত মানুষ জীবন দিলো, এসব কিছুই প্রকাশ করে যে, বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র প্রিয়। গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের মানুষ ত্যাগ স্বীকারে সর্বদাই প্রস্তুত।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান, ছাব্বিশের নির্বাচন, জুলাই সনদ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রত্যাশা…সব মিলিয়ে সামনে এসেছে পুরোনো কিছু প্রশ্ন, নতুন কিছু আকাঙ্ক্ষা; রাজনৈতিক সংকটে ৭ নভেম্বরের চেতনাকে কীভাবে ধারণ করবে বিএনপি?

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, মোকাবিলা করার চেতনাটাই হচ্ছে ৭ নভেম্বর। সেই চেতনাটা মানুষের মধ্যে অব্যাহত থাকবে। এবং সরকার, রাজনৈতিক দল যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে বিএনপিসহ, প্রত্যেকেই সেই চেতনাটা ধারণ করে সামনের দিকে এগোবে যাতে করে আর কখনই পরাজিত শক্তি, ফ্যাসিবাদী শক্তি, অগণতান্ত্রিক শক্তি, তাদের উত্থান না ঘটে।

একসময় মানুষ চেয়েছিল রাষ্ট্রের পরিবর্তন। আজ প্রত্যাশা রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন; কারণ, ক্ষমতার পরিবর্তন হয়তো ইতিহাসের ঘটনা। কিন্তু গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা একটি চলমান অর্জন।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

৭ নভেম্বর ইতিহাসের বাঁক বদলের এই দিনে শুরু হয় গণতন্ত্রের অভিযাত্রা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

যারা প্রবাসে লোক পাঠায় তাদের দালাল বলবেন না: নুরুল হক নুর

আইনজীবীদের ট্রেনিংয়ের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মুসলিম নারী ভিপি নাশরাকে সাদিক কায়েমের অভিনন্দন

জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক যাচ্ছেন সাতক্ষীরার নাঈম

বিনা খরচে ১১২ কর্মী নেবে মালয়েশিয়া, বেতন কত?

সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে : প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

নতুন পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির বৈঠক আজ, আলোচনায় যেসব ইস্যু

৪৬ হাজার কোটি টাকার ২২ প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে পাশে থাকার ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন নাতনি জাইমা

ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নাহিদ ইসলাম

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন মান্না, গয়েশ্বর রায়

কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা রয়েছে

বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৮ এপ্রিল শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে তফসিলি-দলিতদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে: আখতার