রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান-ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী

Post Image

চলতি বছর রসায়নে নোবেলে পেয়েছেন ফ্রান্স ও জাপানের দুই বিজ্ঞানী। ‘অপ্রতিসম জৈব সংশ্লেষণে নন-লিনিয়ার ইফেক্ট ও অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের জন্য’ তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বিজয়ীরা হলেন, ফ্রান্সের হেনরি বি কাগান ও জাপানের কেনসো সোয়াই।

বাংলাদেশ সময় বুধবার বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে রয়াল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজয়ীরা রসায়নকে একটি নির্দিষ্ট ‘মিরর ইমেজ’ বা দর্পণ প্রতিবিম্ব বেছে নেওয়ার পথ দেখিয়েছেন।

অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো কিছু অণুর দুটি ভিন্ন রূপ বা ভ্যারিয়েন্ট আছে। এই রূপ দুটি মূলত একে অপরের আয়নায় পড়া প্রতিবিম্ব বা উল্টো রূপের মতো। তবে বিস্ময়ের বিষয় হলো, যেকোনো জীবন্ত প্রাণী বা জীবের কোষে এ দুটি প্রতিবিম্বের কেবল একটি রূপই বিদ্যমান থাকে।

কীভাবে এ ধরনের রাসায়নিক অপ্রতিসাম্য বা ‘কেমিক্যাল অ্যাসিমেট্রির’ উদ্ভব হলো, তা দীর্ঘকাল ধরেই রসায়নবিদদের কাছে একটি বড় রহস্য হয়ে ছিল। অবশেষে জটিল ধাঁধার সমাধান আবিষ্কার করেছেন এই দুই বিজ্ঞানী। 

১৯০১ সালের পর থেকে ১১৭ বার রসায়নে নোবেল দেওয়া হয়েছে, পেয়েছেন ১৯৮ ব্যক্তি। দুইবার পেয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি শার্পলেস। 

গত বছর যারা পেয়েছিলেন

‘মেটাল অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্কস’ উন্নয়নের জন্য ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পান তিনজন। তারা হলেন, জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সুসুম কিতাগাওয়া, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিচার্ড রবসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বার্কলি) ওমর এম ইয়াঘি। 

বিজয়ীরা অণুগঠিত একটি কাঠামো তৈরি করেছিলেন। যেটির মধ্য দিয়ে গ্যাস ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ প্রবাহিত হতে পারে। এই কাঠামোগুলোকে বলা হয় ‘মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক’। এর মাধ্যমে মরুভূমির বাতাস থেকে পানি সংগ্রহ, কার্বন ডাই অক্সাইড ধারণ, বিষাক্ত গ্যাস সংরক্ষণ বা রাসায়নিক বিক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা যায়। 

এ বছর ৫ অক্টোবর থেকে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু হয়েছে। চিকিৎসায় পেয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ, জার্মানি পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস নিয়ে তাঁদের আবিষ্কারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ঘোষিত পদার্থবিজ্ঞানে বিজয়ী হলেন, বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। তিনি আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। একই সঙ্গে মহাবিশ্বের দূরবর্তী স্থান থেকে পৃথিবীতে আসা উচ্চ শক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কার করেছেন। এই নিউট্রিনো অনেকের কাছে ‘ভূতুড়ে কণা’ নামে পরিচিত। 

কবে কোন পুরস্কার

বৃহস্পতিবার সাহিত্যে ও শুক্রবার শান্তিতে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা হবে। অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হবে ১৩ অক্টোবর।

পুরস্কারের অংশ হিসেবে একটি করে ডিপ্লোমা, স্বর্ণপদক এবং প্রায় ১২ লাখ ডলারের চেক দেওয়া হয়। কোনো বিভাগে একাধিক বিজয়ী থাকলে পুরস্কারের অর্থ ভাগাভাগি করে নেন।

মানবতার জন্য বড় ধরনের অগ্রগতি বয়ে এনেছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। পুরস্কারের প্রতিষ্ঠাতা, উদ্ভাবক আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

অন্যান্য

News Image

কাতারে শুরু প্রথম বাংলাদেশি আম উৎসব

বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫

সর্বশেষ খবর

রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান-ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী

সকালে চিয়া সিড খাওয়া নিয়ে চিকিৎসকের দেয়া এই তথ্য জানেন তো?

মাত্র ১ মাসে পাঁচ কেজি ওজন কমানোর সহজ পদ্ধতি

নাশকতায় জড়িত সন্দেহে ভারতীয় নাগরিক ৪ দিনের রিমান্ডে

নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, ২০ বছর হলেই আবেদন

ওজন কমানোর ওষুধ সেবন করে নিজের ক্ষতি করছেন না তো?

বাঁধনের ওপর হামলা: বাচ্চার কান্নায় ক্ষুব্ধ পরীমনি

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের কঠোর সতর্কবার্তা দিল হাইকমিশন