রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
হামলার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান সাংবাদিকরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামীকালের মধ্যে মামলা করার আশ্বাস দেওয়া হলে সাংবাদিকরা আপাতত কর্মসূচি স্থগিত করেন। তবে আজ সকাল ১১টায় রবীন্দ্র ভবনের সামনে মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
এদিকে, হামলার ১৪ ঘণ্টা পরও তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ জানান, উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বর্তমানে ক্যাম্পাসে নেই। তিনি বিকেলে ফিরলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘ভিসি স্যার ক্যাম্পাসে নেই। তিনি বিকেলে আসবেন। তারপর তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’
রোববার রাতের হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবিবসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু।
হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা, দুপুর ১২টার মধ্যে গ্রেপ্তার নিশ্চিত, হামলায় জড়িত শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব বাতিল এবং পড়াশোনা শেষ করা ব্যক্তিদের সনদ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন—এমন অভিযুক্তদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।







