গণভোটের বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি-দখলদারি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া রুটে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
রোববার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে এ কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে অক্টোবরের মধ্যে চারটি লংমার্চ আয়োজনের সিদ্ধান্ত ছিল। পাশাপাশি মধ্য নভেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনাও ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে লংমার্চের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় জোট। এ কর্মসূচি ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা-খুলনা লংমার্চ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ছিল। ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেট রেলমার্চ হওয়ার কথা। শুধু দিন পরিবর্তন নয় ঢাকা-খুলনা-লংমার্চের রুট বর্ধিত করা হয়েছে। ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া রুটে লংমার্চ হবে। ৩১ অক্টোবর শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ হবে। পথিমধ্যে পাঁচ ছয়টি সভার পর কুষ্টিয়ায় হবে সমাপনী সমাবেশ।
লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জামায়াত আমির শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ লংমার্চে অংশ নেবেন।
বৈঠকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ এমপি, মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।







