জন্মভূমিতে ফেরার জন্যে বিশ্ববাসীর সমন্বিত উদ্যোগ দাবি করে গণহত্যা দিবস পালন করেছে কক্সবাজার আশ্রয় শিবিরের রোহিঙ্গারা। তাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার নয় বছর পূর্তিতে দিবসটি পালন করে। এ উপলক্ষ্যে কুতুপালং চার নম্বর ক্যাম্পের ফুটবল মাঠে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সৃষ্টিকর্তার কাছে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন চেয়ে মোনাজাতের মাধ্যমে তারা সমাবেশ শেষ করে।নয় বছর আগের এই দিনে কেউ সন্তানকে কোলে নিয়ে, কেউ বৃদ্ধ বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সীমান্তের দুর্গম পথ।
জন্মভূমি ছেড়ে আসার এই দিনটিকে স্মরণ করতে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল থেকেই ক্যাম্পের ফুটবল মাঠে জড়ো হন রোহিঙ্গারা। কেউ নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, আবার কেউ চোখের পানি মুছছিলেন বারবার। একসময় সবাই রাব্বুল আলামিনের কাছে জন্মভূমিতে ফেরার জন্যে মোনাজাত করেন।
এর আগে রোহিঙ্গারা বলেন, তাদের মন পড়ে আছে জন্মভূমিতে। যেদিনই নিরাপত্তা পাবেন সেদিনই ফিরে যাবেন নিজের মাটির কাছে।
আর কেউ কেউ বলেন, শুধু ফেরত পাঠালেই হবে না। নিশ্চিত করতে হবে যেন ফেরার পর আবার নির্যাতনের শিকার না হতে না হয়। আবার যেন উদ্বাস্তু না হতে হয়।
রোহিঙ্গা নেতারা সাংবাদিকদের জানান, ক্যাম্পে জন্ম নিচ্ছে নতুন প্রজন্ম। কিন্তু তাদের ভবিষ্যৎও আটকে আছে এই আশ্রয়শিবিরে। এখন তাদের দাবি আরাকানে নিরাপত্তা অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার। আর এর জন্যে লাগবে বিশ্বের সব শক্তিধর দেশের সমন্বিত উদ্যোগ।
প্রার্থনা শেষে মাঠ ছাড়ার আগে রোহিঙ্গাদের তাদের কণ্ঠে ছিল বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
সমাবেশ ঘিরে রোহিঙ্গা শিবিরে বাড়ানো হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা। সমাবেশের চারদিকে তাদের কড়া নিরাপত্তা ছিল।







