সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সভাপতি এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও বিবৃতিটি শেয়ার করেন তিনি।
বিবৃতিতে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, “বিতর্কিত কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত করে বর্তমান সরকার দেশের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার দেশের সাধারণ মানুষের মতামত ও আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশ। দীর্ঘদিন ধরে এ দেশে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ও হানাফি মাজহাবের অনুসারী আলেম-ওলামা ও স্কলাররা দ্বীনের প্রচার-প্রসারে ভূমিকা রেখে আসছেন।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, “এই বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীকে অবহেলা করে গুটি কয়েক লোকের একটি ভিন্ন মতাদর্শের প্রচারককে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে।”
মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, আলেম-ওলামারা এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সরকারকে আগেও সতর্ক করেছেন। কিন্তু তাদের প্রতিবাদ ও পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে ভবিষ্যতে সরকারকে এর পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
তিনি অবিলম্বে শামীম কায়সার লিংকনের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। পাশাপাশি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন যোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও দ্বীনের সঠিক অনুসারী ব্যক্তিকে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সরকারকে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, আলেম-ওলামাদের দাবি উপেক্ষা করা হলে এবং বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে অতীতে যেভাবে আলেম সমাজ সরকারকে সহযোগিতা করেছে, ভবিষ্যতে সেই সহযোগিতার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হবে।







