ভারতের বেঙ্গালুরুর চিক্কাবানাবারা এলাকায় ৩৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তি ও তার পাঁচ বছর বয়সি ছেলের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, ওই ব্যক্তিকে তার স্ত্রী হারিণী ও স্ত্রীর কথিত প্রেমিক বিনয় মিলে হত্যা করেছেন। পরে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাদের পাঁচ বছর বয়সি ছেলেকেও হত্যা করা হয়।
নিহত ব্যক্তির নাম অভিনন্দন (৩৪)। তার ছেলে যদুবীরের বয়স পাঁচ বছর। পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ঘটনার রাতে ঘুমানোর ব্যবস্থা নিয়ে অভিনন্দন ও হারিণীর মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হারিণী কাঠের হাতা বা চামচ দিয়ে অভিনন্দনকে আঘাত করেন। পরে দুজন আলাদা কক্ষে গিয়ে ঘুমান।
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, এরপর হারিণী তার কথিত প্রেমিক বিনয়কে বাড়িতে ডেকে আনেন। পরে দুজন মিলে অভিনন্দনের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে বালিশ চাপা দিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের ধারণা।
এ সময় পাঁচ বছর বয়সি যদুবীর ঘুম থেকে জেগে ওঠে। পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শিশুটিকেও একইভাবে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
আলামত নষ্টের চেষ্টা
পুলিশের ধারণা, হত্যাকাণ্ডের পর আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। ঘরের রক্তের দাগ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরাও বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
ঘটনার পর হারিণীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য সামনে আসে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তবে এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা বিনয় এখনো পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। কনকপুরার কাছে হেরোহাল্লি ও আশপাশের এলাকায় তাকে খোঁজা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত অভিনন্দন ও তার ছেলে যদুবীরের লাশ ময়নাতদন্তের পর তাদের পৈতৃক গ্রামে পাঠানো হয়েছে। বিনয়কে







