আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও উল্টো পথে হাঁটছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এমন অভিযোগে ফের আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজিপি)।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে মঙ্গলবার থেকেই নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হতে পারে। অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বাধীন এই আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল ব্যঙ্গাত্মকভাবে, নামটিও গ্রহণ করা হয়েছিল একটি কটূক্তি থেকে। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর দিল্লির যন্তর মন্তরে নিজেদের ৩৭ দিনের টানা প্রতিবাদ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছিল তারা।
তবে সিজিপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার যে চুক্তি হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে শত শত ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লিসহ অন্যান্য রাজ্যে শত শত শিক্ষার্থীকে নজরদারি ও হেনস্তা করা হচ্ছে। এমনকি দিল্লিতে যেসব স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলনকারীদের লজিস্টিক সমর্থন দিচ্ছেন, তাদেরও আটক করার একাধিক খবর আসছে।
সরকারের মধ্যস্থতাকারী মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংকে ট্যাগ করে তিনি আরও লিখেছেন, আমাদের দাবি, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হওয়া সমস্ত এফআইআর (ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট) অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক এবং ছাত্রদের মুক্তি দেয়া হোক। ভবিষ্যতে দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোর পুলিশ যেন কোনও এফআইআর না দায়ের করে। অন্যথায় আমরা আবারও আন্দোলন শুরু করতে বাধ্য হব।
সিজেপি মুখপাত্র আরও দাবি করেন, বৈঠকের সময় মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে যে লিখিত চুক্তির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা যেন ‘আগামীকালের (মঙ্গলবারের) মধ্যে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়’।
গত শনিবার (২৫ জুলাই) কনস্টিটিউশন ক্লাবে মন্ত্রীদের সঙ্গে তৃতীয় দফায় বৈঠকের পর সিজিপি জানিয়েছিল, যেসব নিট পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, তাদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।







