১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা

Post Image

১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে একটি পেশাদার বাহিনীতে পরিণত করা। বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।

রাষ্ট্র ও সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকবে এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে রাষ্ট্র এবং সরকার হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক, অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সর্বোপরি নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময়।’

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সদ্য পাস হওয়া বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব ও জনবান্ধব’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বাজেট পেশের পর বিভিন্ন স্বাধীন ও চুলচেরা বিশ্লেষণকারী সংস্থাও স্বীকার করেছে যে এই বাজেটটি অনেকটাই জনবান্ধব হয়েছে।


তিনি বলেন, ‘এই বাজেটের সুফল যদি দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হয়, তবে সরকারি প্রশাসন, বেসরকারি কর্তৃপক্ষসহ সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আমি সংসদের সব সদস্য এবং দেশের গণতন্ত্র-মনা জনগণকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ সবার প্রচেষ্টায় এই সংসদ আজ জনগণের কাঙ্ক্ষিত সংসদে পরিণত হয়েছে।’

কৃষক ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে সরকারের নেয়া তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে দেশের ১৩ লাখ প্রান্তিক কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।’

তিনি আরও জানান, ‘সমাজকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মগুরুদের সম্মানী প্রদানের কাজ শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সমস্ত সেবা একটি মাত্র কার্ডের আওতায় নিয়ে এসে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালু করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য ঋণ-নির্ভর অর্থনীতি থেকে দেশকে একটি বিনিয়োগ-নির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

আগামী ৫ বছরে দেশের সরকারি ও স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ বা সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কাজ শুরু করেছি।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

আবু সাঈদ জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ইমাম: নাহিদ ইসলাম

তালাকের অজুহাতে নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ এড়ানো যাবে না : হাইকোর্ট

উত্তর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগ মনে করিয়ে দেয় ক্ষমতার মালিক জনগণ: রাষ্ট্রপতি

১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা

ডেঙ্গু মোকাবিলায় লুঙ্গি ও পায়জামা পরার পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

‘মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবে সরকার’

শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকব : তাসরিফ খান

সর্বাধিক পঠিত

হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার

১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ আবহাওয়া অফিস

তারেক রহমানের বাসার সামনে থেকে দুইজন আটক

নতুন সরকারের শপথ কবে জানালেন প্রেস সচিব

মঙ্গলবার ২০০ পর্যবেক্ষক নিয়ে মাঠে নামছে ইইউ

ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস না হওয়ার খবর আবারও নাকচ করলেন ট্রাম্প

রাজশাহী সীমান্তে চার সহস্রাধিক বিজিবি মোতায়েন

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে বেশ সময় লাগবে: ইসি সচিব

‘অযৌক্তিক শর্ত মেনে ভারতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ’

ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্টকে যা বললেন সৌদি যুবরাজ