চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল : বাণিজ্যমন্ত্রী

Post Image

রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা চালের বাজার পরিদর্শন শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাজারে চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল রয়েছে। সরকারের হাতে চাল ও গমের সন্তোষজনক মজুদ রয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাদামতলী পাইকারি চালের বাজার ও নয়াবাজারের খুচরা বাজার পরিদর্শন শেষে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি সংবাদপত্রে চালের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর পরিস্থিতির সত্যতা যাচাই করতে তিনি ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে বাজার পরিদর্শনে যান। বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকান ঘুরে তারা দেখতে পেয়েছেন, চালের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। ঈদের পর কোনো কোনো ধরনের চালের দাম কেজিতে এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে বলে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন। তবে তা বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় না।

তিনি জানান, কিছু মিল মালিক বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। কিন্তু বাজারে সেই দাম কার্যকর হয়নি এবং পরবর্তীতে তা কমে এসেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন মানের চালের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই দুই থেকে চার টাকার মূল্য পার্থক্য থাকে। নতুন ও পুরোনো চালের মধ্যেও দাম কিছুটা ভিন্ন হয়। নতুন চালের ফলন ভালো হলে তার দাম তুলনামূলক কম থাকে। এ ধরনের এক-দুই টাকার ওঠানামা বাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতিও ভালো রয়েছে এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বাজারের মূল্যতালিকা ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

খাদ্যশস্যের সরকারি মজুদের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের হাতে চাল ও গমের সন্তোষজনক মজুদ রয়েছে। ভবিষ্যতে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিলে সরকার তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সে ধরনের কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়নি।

বাজেট-পরবর্তী মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মুদ্রাস্ফীতির হিসাব একটি ভিত্তিমূল্যের ওপর নির্ভর করে। গত কয়েক মাস ও আগের বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে খাদ্যপণ্যের বাজার বর্তমানে অনেক বেশি স্থিতিশীল। সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি চার টাকা বাড়ানোর কারণও আগেই স্বচ্ছভাবে জানানো হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। বর্তমানে চালের মূল্য ও সরবরাহ—উভয় ক্ষেত্রেই সন্তোষজনক অবস্থা বিরাজ করছে। তবে প্রয়োজন হলে বাজারে হস্তক্ষেপের সক্ষমতা সরকারের রয়েছে।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, দেশে চালের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সচল রয়েছে। সরকারের হাতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ টন খাদ্যশস্যের মজুদ রয়েছে, যা নির্ধারিত আপৎকালীন মজুদের চেয়ে অনেক বেশি। একই সঙ্গে চলমান ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি মজুদ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে চালের বাজার নিয়ে জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজার পরিদর্শনে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চালের সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

রাজনীতি

সর্বশেষ খবর

প্রজ্ঞাপনের পরেও প্রধানমন্ত্রীর আগে ‘মাননীয়’, জুলকারনাইন লিখলেন— একটু বিব্রতকর না?

ট্রান্সফরমার চুরির মামলায় গ্রেফতার, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার

লক্ষীপুরের রামগঞ্জে চুরি হওয়া গরু বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার

নির্বাচন কমিশন নিয়ন্ত্রণ করে ‘কন্ট্রোলড ডেমোক্রেসি’ চায় বিএনপি: সাদিক কায়েম

‘২৮ দিন পর পিটিয়ে বের করে দেব’ বলা চবি ছাত্রদল নেতা শোকজ কেন্দ্রীয় সংগঠনের

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার রাবি ছাত্রদলের, শিক্ষার্থীকে ‘গুপ্তচর’ দাবি

নির্বাচন কমিশনকে কমেডি সেন্টার নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবে দেখতে চায় জনগণ: পাটওয়ারী

রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের হেনস্তার প্রতিবাদে ৪ দফা দাবি শিবিরের

সর্বাধিক পঠিত

ইরানের হামলায় ধ্বংসযজ্ঞ, ক্ষতিপূরণের ৩৯ হাজার আবেদন ইসরায়েলে

৩২ আসনে ফলাফল কারচুপির অভিযোগে আইনি লড়াই করবে জামায়াত জোট

বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল

নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশ আজই?

নতুন বাংলাদেশে লাগবে শিক্ষা, বড় বড় ব্রিজ-দালান নয় : আমীর খসরু

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে ‘আরেকটা জুলাই’ অবধারিত : ড. আযাদ

সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের লাঠিপেটার নিন্দা জামায়াতের

নারী সেজে টিকটক করতেন ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান

দুপুরে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন, দলে যোগ দিতে পারেন যারা

জুলাই গণহত্যার বিচার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্ব এনসিপিকেই নিতে হবে