সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগমুহূর্তেই বিসিবি ও বিসিসিআইয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। গত ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয় বিসিসিআই। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল।
যদিও দুই বোর্ডের এই দূরত্বের পেছনে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিও প্রভাব ফেলেছিল। তবে জাতীয় নির্বাচনের পর সেই সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দেখা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় বিসিবির পক্ষ থেকে বিসিসিআইকে একটি চিঠি পাঠানো হয়।
আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর নির্ধারিত রয়েছে, যা আগের বছর হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করেছিল বিসিসিআই। পাশাপাশি, ২০২৭ এশিয়া কাপের আয়োজক বাংলাদেশ, যেখানে অংশ নিতে বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে ভারতের।
সব দিক বিবেচনায় দুই বোর্ডের সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে এতদিন ধারণা করা হচ্ছিল। তবে পরে জানা যায়, এটি সরাসরি বিসিবির নয়; বিসিবির পক্ষ থেকে বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকই চিঠিটি পাঠিয়েছেন। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সদ্য সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘তাকে (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে) একটা কথা বলব, আপনি (ভাই) ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন। ওনার দুটি হস্তক্ষেপের কথা বলতে পারি, প্রথম দিনই উনি সরাসরি প্রধান নির্বাহীকে ফোন করলেন সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দিতে।'
বুলবুল যোগ করেন, 'আরেকটা হলো, কয়েক দিন আগে দেখেছেন বিসিবি একটা চিঠি দিয়েছে বিসিসিআইকে। এটা উনি সিইওর সঙ্গে বসে করেছেন, আমি শুধু কপিতে ছিলাম। এই যে সিস্টেমটাকে নষ্ট করে ফেলছে, এর দায় কে নেবে। আমি তো চলে যাব, হয়তো আর কোনো দিনও আসব না। কিন্তু আপনারা তো এখানে থাকবেন, আপনাদের এই ক্রিকেটটাকে তো বাঁচাতে হবে।’







