যুদ্ধবিরতি নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাদে চলছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরাসরি আলোচনা। এ সময় ইসলামাবাদে অবস্থানরত ইরানি প্রতিনিধিদলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের স্বার্থ রক্ষায় ‘সাহসিকতার সঙ্গে আলোচনা’ চালিয়ে যাবে প্রতিনিধিদলটি। খবর আলজাজিরা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি যাই হোক, জনগণের সেবায় আমাদের কাজ এক মুহূর্তের জন্যও থেমে থাকবে না। তিনি আরো বলেন, ‘আলোচনার ফলাফল যা-ই হোক না কেন, সরকার সব সময় জনগণের পাশে থাকবে।’
এর আগে শেহবাজ শরিফ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সঙ্গেই পৃথক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
তার সঙ্গে রয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। সঙ্গে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।
গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়।
এরপর তাদের মধ্যে আলোচনার চেষ্টা শুরু করে পাকিস্তান। যার ফল হিসেবে আজ বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর টানা ৪০ দিন তাদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ থামলেও; এ যুদ্ধবিরতি প্রথম থেকেই বেশ ভঙ্গুর।







