চলমান যুদ্ধ ও সংঘাতের মধ্যে ‘পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তাররোধ চুক্তি’ (এনপিটি) থেকে ইরানকে বেরিয়ে আসার দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন দেশটির রাজনীতিকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের বেসামরিক পারমাণবিক স্থাপনা, ইস্পাত কারখানা এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ায় এই দাবি আরও জোরালো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক চুক্তিতে থেকে ইরানের কোনো লাভ হয়নি। সুতরাং এতে থাকা অর্থহীন।’ তেহরানের প্রতিনিধি মালেক শরিয়াতি জানান, এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রস্তাব ইতোমধ্যে পার্লামেন্টের অনলাইন পোর্টালে উত্থাপন করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই তা পর্যালোচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের পার্লামেন্ট এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অধিবেশন করেনি। শরিয়াতির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আইনে ইরানকে এনপিটি থেকে প্রত্যাহার, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত পারমাণবিক সীমাবদ্ধতা গ্রহণকারী আইন বাতিল, এবং ‘সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা’ ও ‘ব্রিকস’-এর মতো সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য নতুন আন্তর্জাতিক চুক্তি সমর্থনের কথা বলা হয়েছে। এর আগে কঠোরপন্থি রাজনীতিকরা বাইরের চাপের মুখে এনপিটি থেকে বেরিয়ে আসা এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দাবিও তুলেছিলেন।







