শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতিতে ফিরতে চায় সরকার

Post Image

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান লটারি পদ্ধতি বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষার দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে 'নির্বাচনী ইশতিহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষাখাত' শীর্ষক সেমিনারে এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।


তিনি বলেন, ভর্তিতে মেধা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি বাদ দিয়ে পরীক্ষা চালুর বিষয়ে আগামী বছর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


এর আগে, গতকাল রোববার সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান লটারি পদ্ধতি মেধাকে অবমূল্যায়ন করছে কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তার এই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, লটারি পদ্ধতি কতটা কার্যকর তা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পুনর্বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনে এটি বাতিল করার বিষয়টিও সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।


শিক্ষামন্ত্রী জানান, লটারি পদ্ধতি বাতিল করে পুনরায় মেধা যাচাই বা ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ২০২৭ সালে। গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের বাস্তবতা ভিন্ন। বড় শহরগুলোতে ভর্তির তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে বিগত সরকার লটারি পদ্ধতি চালু করলেও এর যৌক্তিকতা নিয়ে বর্তমান সরকার সন্দিহান।


তিনি জানান, ভর্তি পদ্ধতির বিষয়ে অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সেমিনার ও আলোচনার মাধ্যমে জনমত সংগ্রহ করা হবে। সবার মতামতের ভিত্তিতেই ২০২৭ সালের জানুয়ারির ভর্তি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।


শিক্ষাখাতে জনবল সংকট নিরসনে দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। যদিও নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে কিছুটা আইনি জটিলতা রয়েছে, তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে দ্রুতই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, ধর্মীয় শিক্ষা বলতে কেবল ইসলাম শিক্ষা নয়, বরং সব ধর্মের অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার কাজ করছে।


সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সরকার এখন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চেয়ে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে বেশি বদ্ধপরিকর। তবে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।


শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, দেশের শিক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে লটারি পদ্ধতি বাতিল করে মেধাকেন্দ্রিক ভর্তি প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে, যা ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর হতে পারে।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতিতে ফিরতে চায় সরকার

সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ পবিত্র শবে-কদর

ঈদুল ফিতরে দেশের সব কারাগারে দেওয়া হবে উন্নতমানের খাবার

টঙ্গীর মাজার বস্তিতে রাতভর পুলিশের অভিযান

সংসদে দেখে বক্তব্য দেওয়া যাবে না, বিপাকে হাতপাখার এমপি

অমর একুশে বইমেলায় ১৭ কোটি টাকার বই বিক্রি: বাংলা একাডেমি

বিরোধী দল অসাংবিধানিকভাবে সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়েছে: সালাহউদ্দিন

সর্বাধিক পঠিত

এবার ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ ঘোষণা

হাদির মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত: যুক্তরাজ্য

১৩ দিনের ব্যবধানে নরসিংদীতে ৫ বার ভূমিকম্প, আতঙ্কিত মানুষ

জুলাই সংস্কার অধ্যাদেশ ও গণভোট কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্টের রুল

সেনাবাহিনী চায় অবাধ নির্বাচন

শুধু পরিবহন টার্মিনাল নয় সব জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে

হাসিনা-জয়-পুতুলের রায় ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের বক্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ১৬ পদে নিয়োগ

ভারতে বসে হাসিনার ইন্ধনে নাশকতার ছক কষছে আওয়ামী লীগ