আগে ব্যাট করে ভারত ৫ উইকেটে ২৫৫ তোলার পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, এই শিরোপাও ভারতের। একটু দ্বিধা ছিল কারণ নিউজিল্যান্ড টপ অর্ডার বিস্ফোরক। কিন্তু কে জানে, ফাইনাল ম্যাচের চাপেই সম্ভবত হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। ফল?
প্রথম দল হিসেবে টানা দুবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত। প্রথম স্বাগতিক দল হিসেবে জিতল বিশ্বকাপের শিরোপাও। প্রথম দল হিসেবে তিনবার এই বিশ্বকাপের শিরোপাও জিতল সূর্যকুমার যাদবের দল।
ভারতের জয় টের পেয়েই সম্ভবত কিছু দর্শক বাড়ি ফিরেছেন। তবু প্রায় ৮৬ হাজার দর্শকের গর্জনে কেঁপেছে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। আর কেঁপেছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং।
তৃতীয় ওভারে ফিন অ্যালেন আউট হওয়ার পর থেকেই মূলত জয়ের পথ থেকে ছিটকে পড়ে নিউজিল্যান্ড। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল ৫২/৩।
১০ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৫ উইকেটে ৮৮। এরপর আসলে এই ম্যাচে আর কিছু ছিল না।
ওপেনার টিম সাইফার্ট করেন ২৬ বলে ৫২। স্যান্টনার করেন ৪৩ রান। বুমরা নেন ৪ উইকেট।
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার হারল নিউজিল্যান্ড।
বুমরা ও বরুণ সমান ১৪টি করে উইকেট নিয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
জয়ের পর ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে বুমরা বলেন, ‘নিজেকে বিশেষ কিছু মনে হচ্ছে। কারণ এর আগে ঘরের মাঠে একটি ফাইনাল খেলে জিততে পারিনি। আজ জিতলাম। উইকেট ফ্লাট ছিল, নিজের সব অভিজ্ঞতা ঢেলে দিয়েছি।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ২০ ওভারে ২৫৫/৫ (স্যামসন ৮৯, ঈশান ৫৪, অভিষেক ৫২, শিবম ২৬*, পান্ডিয়া ১৮; নিশাম ৩/৪৬, রবীন্দ্র ১/৩২, হেনরি ১/৪৯)।
নিউজিল্যান্ড: ১৯ ওভারে ১৫৯ (সাইফার্ট ৫২, স্যান্টনার ৪৩, মিচেল ১৭; বুমরা ৪/১৫, অক্ষর ৩/২৭, পান্ডিয়া ১/৩৬)।
ভারত ৯৬ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা: যশপ্রীত বুমরা।সিরিজসেরা: সঞ্জু স্যামসন।







