ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তোলার পর বিজয়ী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থীকে মিষ্টি খাইয়ে শুভেচ্ছা জানান পরাজিত জামায়াত ইসলামীর পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
ওই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতকে খোঁচা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনের এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘একদিকে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তোলা, অন্যদিকে ফলাফল মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে মিষ্টি খাওয়ানো—এ ধরনের বিরোধিতা চলতে পারে না।’
তিনি বলেছেন, ‘আমরা ঢাকায় বলব, ভোটে কারচুপি হয়েছে, আবার আমরা ফলাফল মেনে নেব—এ ধরনের বিরোধী দলের ভূমিকা দেখানো হবে না।’
গতকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) যশোরে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাবেশে এমন বক্তব্য দেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আমরা ঢাকায় বলব, ভোটে কারচুপি হয়েছে, আবার আমরা ফলাফল মেনে নেব—এ ধরনের বিরোধী দলের ভূমিকা দেখানো হবে না।”
তিনি বলেন, “যদি কারচুপি হয়ে থাকে, তাহলে চোখে চোখ রেখে বলতে হবে, সেটা কারচুপি হয়েছে।”
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, “আমরা একবার বলব কারচুপি হয়েছে, আবার গিয়ে মিষ্টি খাইয়ে আসব—এ ধরনের বিরোধিতা হতে পারে না।”
প্রসঙ্গত, গত ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পান ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট। তবে ফলাফল ঘোষণার আগেই অনিয়ম, জাল ভোট এবং পোলিং এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী।
নির্বাচনের পরদিন ৩০ অক্টোবর বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীন দেলাওয়ার হোসেনের হাজীপাড়ার বাসায় গিয়ে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তারা কোলাকুলি করেন এবং পরস্পরকে মিষ্টিমুখ করান। মির্জা ফয়সল আমীন এলাকার উন্নয়নে দেলাওয়ার হোসেনের সহযোগিতা চান। জবাবে দেলাওয়ারও উন্নয়নমূলক কাজে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।







