সীমান্ত কোয়ারেন্টাইন পরিদর্শকরা আমদানি করা চালানে অতিরিক্ত মাত্রার রাসায়নিক কীটনাশক শনাক্ত করার পর ভারতীয় আমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নেপাল। কাঠমান্ডুর কৃষি ও পশুপালন উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এই আমদানি-নিষেধাজ্ঞা এপ্রিল-মে মাস থেকে কার্যকর রয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট।
নেপালি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে দেশীয় ফলের জাতগুলোর জন্য ইতিবাচক বলে তুলে ধরছে। মধেশ প্রদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মনীশ কুমার পাল দ্য রাইজিং নেপালকে বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত, ‘আরও স্বাস্থ্যকর ফলের’ জন্য বেশি সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় উৎপাদনকে অতিরিক্ত উৎসাহ জোগাবে, পাশাপাশি নাগরিকরা আরও স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ফলের নাগাল পাবেন।’
তবে দেশের আম ব্যবসায়ীরা সম্ভাব্য ঘাটতি, মূল্যবৃদ্ধি এবং বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন। নেপাল আম উৎপাদনকারী দেশ এবং আমদানি করার চেয়ে বেশি আম রফতানি করলেও, স্থানীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া নেপালি আমের মৌসুম মাত্র দুই মাস স্থায়ী হয়।
ফল বিক্রেতারা এখন ভারতীয় ফলের ওপর সার্বিক নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে আরও কঠোর কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা চালুর দাবি জানাচ্ছেন।
ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি আম আমদানি করে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং সৌদি আরব। নেপাল ভারতীয় আমের বৃহত্তম বাজারগুলোর মধ্যে না থাকলেও, কীটনাশকের উপস্থিতির বিষয়টি ভারতের ফল উৎপাদন ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।







