যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে ইউরোপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইরান। এ লক্ষ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছেন। ইসলামাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় ইরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ এবং হরমুজ প্রণালি তত্ত্বাবধানের বিষয়ে ইরান যে প্রস্তাব দিয়েছিল, সে বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোকে অবহিত করছেন তিনি।
ফরাসি ও জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল ব্যারো ও ইয়োহান ওয়াদেফুল এবং সৌদি, ওমান ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে এ বিষয়ে আলাপ করেছেন আরাগচি।
তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইসলামাবাদে প্রথম দফা আলোচনায় কোনো সমঝোতা না হলেও, প্রক্রিয়াটিকে শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করে না ইরান।
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে ইউরোপকে একপাশে সরিয়ে রেখেছেন। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের সঙ্গে কাজ করার দিকে বেশি মনোযোগী। অন্যদিকে তেহরান ইউরোপীয় সরকারগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রেরর চিরস্থায়ী সহযোগী ও অনুসারী হিসেবে এতোদিন মূলত উপেক্ষা করেছে। কিন্তু আটলান্টিক মহাসাগরীয় বিভাজন গভীর হওয়ার লক্ষণ এবং ইউরোপীয় অর্থনীতিগুলোর ওপর তীব্র চাপের কারণে ইরান ট্রাম্পকে চাপ দেওয়ার একটি সম্ভাব্য হাতিয়ার হিসেবে ইউরোপের বিষয়ে তার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান







