দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মোচনে কাজ করছে সরকার: মাহাদী আমিন

Post Image

সরকার যত দ্রুত সম্ভব মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মোচনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।

রোববার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা মাহাদী আমিন বলেন, সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ আমি মালয়েশিয়ায় খুব সংক্ষিপ্ত একটা সফরে গিয়েছিলাম। সেখানে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল আমাদের গত প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার কীভাবে উন্মুক্ত করা যায়, সেগুলো নিয়ে মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে আলাপ-আলোচনা করা।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে বাংলাদেশের অবস্থান শুনেছেন এবং সেখানে ওনাদের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের অনেক প্রতিনিধি ছিলেন। আমরা সেখানে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করবার জন্য ওনার সহযোগিতা চেয়েছি। তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে যেন বিদেশে, বিশেষত মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানিকে সহজতর করে আবার পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়।

তিনি বলেন, সেখানে আমাদের আলোচনা হয়েছে কীভাবে আমরা বিদেশে যাওয়া প্রক্রিয়াটাকে আরও স্বচ্ছ করতে পারি; বিশেষত মালয়েশিয়ায় যারা কাজ করতে যাচ্ছেন তাদের জন্য অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনতে পারি। ওনাদের একটি বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে প্রযুক্তি নির্ভর এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যার মাধ্যমে ওনারা শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের প্রতিটি দেশ থেকে শ্রমিক নিয়ে যাবেন তাদের দেশে।

তিনি বলেন, যেহেতু এটা শুধু বাংলাদেশ না, সব দেশের সাথে সম্পর্কিত মালয়েশিয়ার একটি সিদ্ধান্ত, সেখানে আমরা বলেছি আমাদের মূল উদ্দেশ্য এর মাধ্যমে যেন বাংলাদেশকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় স্বল্প খরচে শ্রমিকেরা বিদেশে যেতে পারেন সেটি যেন ওনারা নিশ্চিত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং আমাদের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গণমানুষের নেতা তারেক রহমানের অনুমতি ক্রমে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক একটি যৌথ বিবৃতি আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন যা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।

মাহাদী আমিন আরো বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান থেকে আমাদের যা বক্তব্য সেগুলো যেন প্রতিফলিত হয়েছে, মালয়েশিয়ার অবস্থান উঠে এসেছে। তবে এই যৌথ বিবৃতি আমাদের জন্য একটা বড় ব্রেক-থ্রু, যেখানে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কীভাবে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনা যায় সেক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন ঘটেছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই স্বল্প খরচে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যেন আমাদের মানুষ যেতে পারেন এবং মালয়েশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছি এই প্রক্রিয়াটাকে সিন্ডিকেট মুক্ত করবার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন সেটি যেন করেন। এক্ষেত্রে আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সে বিষয়ে আন্তরিকতা দেখিয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মোচনে কাজ করছে সরকার: মাহাদী আমিন

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

আবারও ভূমিকম্প অনুভূত দেশে

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

কৃষক কার্ডে যুক্ত হবে সময়োপযোগী নতুন নতুন সেবা : কৃষিমন্ত্রী

সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল ও পরিবারের সম্পদ নয় : প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীর দরবারে প্রথমবার অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বাধিক পঠিত

চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

হাসিনার মামলার রায় সরাসরি বিটিভিতে সম্প্রচার হবে

হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে আটক ২

হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখেন

হাসিনার ৫, রেহানার ৭ ও টিউলিপের ২ বছর কারাদণ্ড

সারা দেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি মোতায়েন থাকবে

খালেদা জিয়ার জানাজা, ঢাকায় আসছেন পাকিস্তান ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সন্ধ‍্যায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক

লাগাতার কর্মবিরতিতে প্রাথমিকের সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষক