মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মাহে রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন বাজারে চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে লেবু,শসা,বেগুন,পটল, ঢেঁড়সসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা,এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে দুইশত টাকা দামে।
সরেজমিনে উপজেলার ভবেরচর বাস ষ্টান্ড, ভবেরচর বাজার,তেতৈতলা মেঘনা ঘাট বাজার, হোসেন্দী বাজার,ভাটেরচর বাজার ঘুরে দেখা যায়,সব সবজির দামই বেড়েছে,ক্রেতারা বলছেন, কয়েকদিনের ব্যবধানে সবজির দাম বেড়েছে দুই থেকে তিনগুন। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কম তাই দাম বেশি তবে, পাইকার ব্যবসায়ীরা বলেছেন,খুচরা ব্যবসায়ীরা কমদামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন কৃষক ও ক্রেতা সাধারণ।
বাজারগুলোতে দেখা যায় মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে আকাশ ছুঁয়েছে। বিশেষ করে লেবু,বেগুন,শসা,কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন সবজি ও প্রয়োজনীয় নিত্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে তিন থেকে চারগুণ। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য।প্রকারভেদে শসা ১০০থেকে ১২০ টাকা,আলু ২০ টাকা,বেগুন ১২০টাকা,পটল ১০০ টাকা,টমাটো ৬০টাকা,কাঁচা মরিচ ১২০টাকা,করলা/উস্তা ১২০টাকা,শসা ১২০টাকা,গাজর ৬০টাকা,মুলা ৬০টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে অথচ কয়েকদিন আগেও বাজারগুলোতে এসব পণ্য ছিল মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে।
ভবেরচর বাস ষ্টান্ড সংলগ্ন বাজারে বাজার করতে আসা নাজিম উদ্দীন নামে এক ক্রেতারা জানান, রমজানে বাজারে সকল পণ্যের দাম বেড়েছে। এতে আমাদের মতো গরীব ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতাদের বাজার করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর দাবী জানান তিনি।
তেতৈতলা মেঘনা ঘাট বাজারে নুরুজ্জামান নামে এক ক্রেতা জানান,আমাদের কত দূর্ভাগ্য,রমজান উপলক্ষ্যে পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই যেখানে পন্যের দাম কমে সেখানে আমাদের দেশে বৃদ্ধি হয়,আমাদের মানসিক তা আর কবে পরিবর্তন হবে।
কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) উপজেলা শাখার সভাপতি এস এম নাসির উদ্দীন বলেন,বাজারের আড়ৎদাররা কৌশলে বাজারের দাম বৃদ্ধি করছে,আমরা ও উপজেলা প্রশাসন বাজার মনিটরিং করছি,যদি কেউ দাম বেশী রাখে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।







