টঙ্গীতে হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটিভ কালেকশন লিমিটেড (সিসিএল) নামের পোশাক কারখানায় একাধিক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে ফের শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়েছেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) এই কারখানায় অর্ধ-শতাধিক শ্রমিক একই কারণে অসুস্থ হয়।
আহতদের টঙ্গী সরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আতঙ্কে কারখানায় শ্রমিক না থাকায় কর্তৃপক্ষ কারখানাটিতে ছুটি ঘোষণা করেছেন।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত টঙ্গী শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ১৯ জন অসুস্থ শ্রমিক চিকিৎসার জন্য আসে।
টঙ্গী হাসপাতাল সূত্র বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় হামিম গ্রপের ৫০ জন শ্রমিক চিকিৎসার জন্য আসে। এছাড়া গাজীপুর, টঙ্গী ও ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে অসংখ্য শ্রমিক চিকিৎসাধীন।
টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে আহত শ্রমিকেরা জানায়, হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে কয়েকদিন আগে একজন এবং গতকাল একজনসহ দুই জন শ্রমিক মারা যায়। এই খবরে আতঙ্কিত হয়ে ও টেনশনে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে।
টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইসরাত জাহান যুগান্তরকে বলেন, হামীম গ্রুপের অসুস্থ শ্রমিকেরা টেনশন থেকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আসছেন। কর্তৃপক্ষের উচিত কারখানায় মানসিক ডাক্তার দিয়ে শ্রমিকদের কাউন্সিলিং করানো।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) এই কারখানায় অর্ধ-শতাধিক শ্রমিক একই কারণে অসুস্থ হয়।
আহতদের টঙ্গী সরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আতঙ্কে কারখানায় শ্রমিক না থাকায় কর্তৃপক্ষ কারখানাটিতে ছুটি ঘোষণা করেছেন।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত টঙ্গী শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ১৯ জন অসুস্থ শ্রমিক চিকিৎসার জন্য আসে।
হাসপাতাল সূত্র বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় হামিম গ্রপের ৫০ জন শ্রমিক চিকিৎসার জন্য আসে। এছাড়া গাজীপুর, টঙ্গী ও ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে অসংখ্য শ্রমিক চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালে আহত শ্রমিকেরা জানায়, হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে কয়েকদিন আগে একজন এবং গতকাল একজনসহ দুই জন শ্রমিক মারা যায়। এই খবরে আতঙ্কিত হয়ে ও টেনশনে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে।
হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইসরাত জাহান বলেন, হামীম গ্রুপের অসুস্থ শ্রমিকেরা টেনশন থেকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আসছেন। কর্তৃপক্ষের উচিত কারখানায় মানসিক ডাক্তার দিয়ে শ্রমিকদের কাউন্সিলিং করানো।







