সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনরত চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের বাস থামিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে হাটহাজারীর মধুনাঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আমিনুল কুদ্দুস চৌধুরী মারধর ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে হামলার প্রতিবাদ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন চুয়েটের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। আয়োজকেরা কর্মসূচিতে সবার অংশগ্রহণ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগী আমিনুল জানান, আন্দোলনে যোগ দিতে তিনি নগরীর বহদ্দারহাট থেকে চুয়েটগামী বাসে ওঠেন। মধুনাঘাটে বাস থামলে ঘটনা বুঝতে তিনি নিচে নামেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে তার আগে কোনো ধারণা ছিল না।
তার ভাষ্য মতে, কাউকে ফোন করতে মোবাইল বের করতেই একদল লোক তাকে ঘিরে ধরে। তারা তার জামাকাপড় ধরে টানাটানি করে, চুল টেনে ধরে এবং মারধর করে। তাকে সেখান থেকে তুলে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। হামলার সময় তাঁকে ‘ছাত্রলীগ’ ও ‘শিবির’ আখ্যা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি এগিয়ে এসে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। আমিনুল বলেন, তাদের সহায়তায়ই তিনি বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।
নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং অধ্যাপক সায়েমকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলছে। একই দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশও কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।







