রাজশাহীতে সারের জন্য কৃষকদের হয়রানি ও ডিলার পয়েন্টে পর্যাপ্ত সার না পাওয়ার অভিযোগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) মো. নাসির উদ্দিনকে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, অবৈধ সার মজুতের ঘটনায় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেছে তদন্ত কমিটি।
প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনে থেকে রাজশাহীতে ডিলারদের কাছে চাহিদামত সার পাচ্ছেন না কৃষরা। বাইরের দোকনে চওড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে সার নিতে এসে সার পাচ্ছেন না কৃষকরা- এমন অভিযোগ উঠছে।
এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২১ আগস্ট) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. খালেদুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মিতা সরকার ও তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ।
রাজশাহী জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযুক্ত সকলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগামীতে রাজশাহীর জন্য বাড়তি সার চাওয়া হয়েছে। যেন ভবিষ্যতে রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট তৈরি না হয়।
এখন পর্যন্ত জেলায় ইউরিয়ার সংকট না থাকলেও কিছুটা সংকট রয়েছে ডিএপি ও পটাশের বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।







