যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তবে বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি কমেছে। মূলত বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ার (প্রফিট-টেকিং) কারণেই এই দরপতন ঘটে। মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশামতো হওয়ায় আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কাও অনেকটা কমেছে।
শুক্রবার (১৩ আগস্ট) ইডিটি সময় রাত ১২টা ৫৮ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম আউন্সপ্রতি ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৫৪ দশমিক ৫৮ ডলারে নেমে আসে। এর আগে লেনদেনের শুরুর দিকে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৪৪৯ দশমিক ৩৯ ডলারে উঠেছিল, যা গত ৫ জুনের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের আগাম বাজার বা ফিউচারস মার্কেটেও দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৪২০ দশমিক ৪০ ডলারে স্থির হয়েছে।
এ বিষয়ে বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান স্টোনএক্স-এর জ্যেষ্ঠ বাজার কৌশলবিদ বব হ্যাবারকর্ন বলেন, স্বর্ণের জন্য ৪ হাজার ৫০০ ডলারের স্তরটি একটি বড় বাধা (রেসিস্ট্যান্স পয়েন্ট)। আমরা দুবার এই স্তরটি স্পর্শ করেছি এবং সেখান থেকেই স্বর্ণের দাম আবার পড়ে গেছে। বর্তমানে ব্যবসায়ীরা এই ৪ হাজার ৫০০ ডলারের কাছাকাছি এলেই কিছুটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন।
অন্যদিকে, এসইসি ফাইলিং থেকে জানা গেছে, জুনের শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের তালিকাভুক্ত গোল্ড ইটিএফ-এ ব্যাংক অব কোরিয়ার ২৫ কোটি (২৫০ মিলিয়ন) ডলারের বিনিয়োগ ছিল।
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য ধাতুর দামেও পতন দেখা গেছে। স্পট রুপার দাম ১.২% কমে আউন্সপ্রতি ৬৪.৫১ ডলারে নেমেছে। ২.৪% কমে আউন্সপ্রতি ১,৭১৫.৫৪ ডলারে লেনদেন হয়েছে। ৩.৯% কমে আউন্সপ্রতি ১,৩১৬.২৮ ডলারে নেমে এসেছে।







