রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত ধারাবাহিক সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। শুক্রবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, তাকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে তিনি ক্ষুব্ধ নন; বরং এসব প্রতিবেদনের মাধ্যমেই তিনি পরিচিতি পেয়েছেন।
পোস্টে আম্মার লেখেন, ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ফ্রেমে বন্দী হয়েই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তার ভাষ্য, সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকদের অনেকেই তার ঘনিষ্ঠ বড় ভাই, ছোট ভাই ও বন্ধু। তিনি কখনো কাউকে নিজের পক্ষে ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করতে বলেননি, আবার নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নেতিবাচক সংবাদ বা পোস্ট সরিয়ে নেওয়ারও অনুরোধ করেননি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালে সময় টিভি–এর একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে তার পরিচিতি বাড়ে, যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়–এর প্যারিস রোডে ফিলিস্তিন–সংহতি আন্দোলনের সময় প্রচারিত হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যম তার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু গণমাধ্যম তাকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ করে আম্মার লেখেন, “হাউজের ডিমান্ডে আমাকে হত্যার যোগ্য করে তোলার জন্য যা যা করা দরকার সব চেষ্টাই করছে অনেক নিউজ চ্যানেল।”
নিজের ভবিষ্যৎ ও আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার মৃত্যু আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল এবং তিনি নিজের আদর্শের পথেই থাকবেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে “খারাপ ছাত্র” হিসেবে পরিচিত হওয়া সহজ নয়; এ জন্য সার্টিফিকেট হারানোর আশঙ্কা, নানা অভিযোগ ও বিতর্ক মোকাবিলা করতে হয়। তার ভাষায়, তিনি এমন একটি ক্যাম্পাস রেখে যেতে চান, যেখানে ভবিষ্যতে কাউকে সার্টিফিকেট হারানোর ভয় নিয়ে আন্দোলন করতে না হয়।
পোস্টের শেষাংশে আম্মার দাবি করেন, তার জীবনে কোনো আন্দোলন ব্যর্থ হয়নি এবং অল্পসংখ্যক সহযোদ্ধা নিয়েও তিনি সফল হয়েছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের সৃজনশীল সংবাদ উপস্থাপন, কার্টুন ও বিশ্লেষণ দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন।







