ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলে সমকামিতার অভিযোগে এক শিক্ষার্থী ও এক বহিরাগতকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে থানা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে তার বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টার জিম্মায় এবং বহিরাগত যুবককে এক মানবাধিকার কর্মীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে সূর্যসেন হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী একটি অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে ওই বহিরাগত ব্যক্তিকে হলে আমন্ত্রণ জানান। তবে নির্ধারিত কক্ষে যাওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তি ভুলবশত অন্য একটি কক্ষের দরজায় কড়া নাড়লে শিক্ষার্থীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তার মোবাইল ফোনে থাকা কথোপকথন যাচাই করে সন্দেহজনক তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি হল প্রশাসনকে জানানো হয়।
পরে প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে তাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথমে হল প্রশাসন শিক্ষার্থীকে নিজেদের জিম্মায় নেয়। পরে বিষয়টি প্রক্টর অফিসকে জানানো হলে শাহবাগ থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং তাদেরকে অনুরোধ করে পরে বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীকে বিভাগের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘থানা থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানার পর আমরা শুধু আমাদের শিক্ষার্থীকে প্রক্টর স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক বিভাগের জিম্মায় দিয়ে আসি।
এদিকে, অভিযুক্ত বহিরাগত ব্যক্তি শাহবাগ থানায় দেওয়া মুচলেকায় উল্লেখ করেন, কাউকে না জানিয়ে হলের রুমে প্রবেশ করায় তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আগের মুচলেকাটি তিনি ভয় পেয়ে লিখেছিলেন বলেও দাবি করেন। পরে তাকে মানবাধিকার সংগঠন ‘ব্যঞ্জনা ফাউন্ডেশন’-এর কর্মী মুনতাসির রহমানের জিম্মায় থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।







