কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা ঘিরে সংসদে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে। এতে মুখোমুখি অবস্থান নেন সরকারি ও বিরোধীদলের এমপিরা। প্রথমে কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, বিরোধীদলের লোকেরা আমাদের কাছে, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাজেটে বরাদ্দ চাইবেন আবার রাজপথে বিক্ষোভও করবেন সেই কারণে আমি আল কোরআনের একটি আয়াত বলতে চাই। তিনি কোরআনের সুরা ইবরাহিমের আয়াত তেলাওয়াত করে অর্থ বলেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের (নেয়ামত) বাড়িয়ে দেবো, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয়ই আমার আজাব বড় কঠিন।’
অর্থ বলে তিনি বলেন, শুকর করতে হবে বাজেটের। শুকর করতে হবে বরাদ্দের। শুকর করতে হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। বিরোধীদলের লোকেরা শুকর করে না।
এর জবাবে পাবনা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বলেন, তাদের (সরকারি দলের) প্রশংসা করলে তারা আরো বাড়িয়ে দেবেন আর প্রশংসা না করলে তারা কি আমাদের পিটাবেন? এটা আসলে কোরআনের আয়াতের খুব ভুল ব্যাখ্যা।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমি বিতর্কে যাবো না। আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ একজন মাওলানা। তিনি যে আয়াতটা বলেছেন, সেটা প্রসঙ্গ ক্রমে বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের (নেয়ামত) বাড়িয়ে দেবো, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয়ই আমার আজাব বড় কঠিন। এখন এটা কেন রাজনৈতিকভাবে বিতর্ক হবে। ৯২ শতাংশ মুসলিমের দেশে সংসদে কোনো নেতা যদি ভুলক্রমেও ইসলামের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য দেন তাহলে আমরা তার নিন্দা করবো। কিন্তু সেটাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না।







