মার্চ টু ইলেকশন কমিশন কর্মসূচিতে জুলাই ঐক্য

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে

Post Image

ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিক ও জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ কর্মসূচি পালন করছে জুলাই ঐক্য। কর্মসূচিতে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করা মোর্চা জুলাই ঐক্যের নেতারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। যা গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও চব্বিশের চেতনাকে বিনষ্ট করেছে। অবিলম্বে দলমত নির্বিশেষে ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিক, জাতীয় পার্টি ও এনডিএফসহ গণহত্যায় জড়িত সব প্রার্থীকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নির্বাচন কমিশনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন- জুলাই ঐক্যের সংগঠক ইসরাফিল ফরাজী। এর আগে বিকেল ৩টার দিকে আগারগাঁও মোড় থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে পদযাত্রা শুরু করে জোটের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, জুলাই ঐক্যের সংগঠক প্লাবন তারেক, মুন্সি বুরহান মাহমুদ, ফাহিম ফারুকী, মুজাহিদুল ইসলাম (অন্তু মুজাহিদ), শামিমসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

জুলাই ঐক্যের সংগঠক প্লাবন তারেক বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। যারা দেশের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে ঋণখেলাপি হয়েছে তাদের নির্বাচন করার সুযোগ দিচ্ছে। তারা নির্বাচিত হয়ে আবারও সংসদে যাবে। এই টাকা আর কখনোই পরিশোধ হবে না। এভাবেই রাষ্ট্রের অর্থ ছিনতাইকারীদের হাতে জিম্মি থাকবে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে প্লাবন তারেক বলেন, যারা দেশের টাকা লুটপাট করে বিদেশে নাগরিকত্ব নিয়েছে তারাও এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। ফ্যাসিবাদ আমলেও এই বিষয়গুলো কঠিন ছিল। কিন্তু এই নির্বাচন কমিশন এবং বিচার বিভাগ সে সুযোগ করে দিচ্ছে।

জুলাই ঐক্যের সংগঠক ইসরাফিল ফরাজী বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো অভিযান চোখে পড়ছে না। নির্বাচনের লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করতে এই কমিশন সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ। সেনাবাহিনীর গলায় রাষ্ট্র একটি ঘণ্টা লাগিয়েছে নাম দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার। এই ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোটরসাইকেলের কাগজ চেক করা ছাড়া আর কিছু করছে কিনা তা আমরা দেখছি না। অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাতে হবে। অন্যথায় দায়ভার এই কমিশনকেই নিতে হবে।

জুলাই ঐক্যের সংগঠক কবি মুন্সি বুরহান মাহমুদ বলেন, জাতীয় পার্টির মতো একটি ভারতীয় প্রক্সি দল এখনও বাংলাদেশে বৈধভাবে রাজনীতি করার সাহস দেখাচ্ছে। ভারতীয় প্রক্সি জিএম কাদের সরাসরি গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত। তারপরও রাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। চব্বিশের নির্বাচনের আগে জিএম কাদের ভারত থেকে দেশে এসে বলেছিল মোদীর অনুমতি ছাড়া কিছু বলবে না। সেদিনই তাকে দেশদ্রোহিতার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না করার কারণে জিএম কাদের আজকে গণভোটে না এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। অবিলম্বে জিএম কাদেরসহ এনডিএফের সব প্রার্থীদের প্রার্থীতা বাতিল করতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

জাতীয়

সর্বশেষ খবর

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সাতক্ষীরা জেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল গ্রেপ্তার

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

নবম পে-স্কেল নিয়ে নতুন জটিলতা, পেছানোর পরামর্শ আইএমএফের

দেশে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বন্ধে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জাতিসংঘের

বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা অনুসন্ধান নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

মঙ্গলবার থেকে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

সর্বাধিক পঠিত

সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু

ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস না হওয়ার খবর আবারও নাকচ করলেন ট্রাম্প

১৮ কোটি মানুষের পক্ষে দাঁড়াবে জামায়াত: শফিকুর রহমান

কেউ ভোট দেয়নি বলে ভেঙে পড়ব; আমি তেমন মানুষ নই: শিশির মনির

গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

যমুনা অভিমুখে আন্দোলনকারীদের পুলিশের বাধা, জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

অন্তর্বর্তী সরকার কোনো দলের পক্ষে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্টকে যা বললেন সৌদি যুবরাজ

বিনা ভোটে জয়ের সুযোগ নেই, নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে