খুলনার খালিশপুরের মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার একটি মেস থেকে তরুণীসহ সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা গোলাম ফারুকের ছেলে মমতাজির বিল্লাহকে (২৬) আটক করে থানায় নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল রবিবার বিকেলে ঘটা এ ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা সাংবাদিকদের ভূমিকা এবং গণমাধ্যমে ঘটনাটিকে ধর্মীয়-রাজনৈতিক ফ্রেমিংয়ের মাধ্যমে মোর্যাল পুলিশিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের (২০২৫) আলোচিত ভিপিপ্রার্থী ও তরুণ লেখক শামীম হোসেন।
তিনি বলছেন, “সাংবাদিকতার নামে মোরাল পুলিশিং অত্যন্ত লো কালচারের বহিঃপ্রকাশ। কিছু পেজ এসব করে বেড়ায় কিন্তু মূল ধারার গণমাধ্যম ভিউ এর নেশায় পূর্ণভাবে এসবের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে শামীম হোসেন লেখেন, “খুলনায় একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে এবং মেয়ে তাদের একসাথে রুমে আটকানো হয়েছে। শিরোনাম “জামায়াত নেতার ছেলে নারীসহ রুমে”। মানে সাংবাদিকতা বা জনগণের ব্যক্তিগত প্রাইভেসির কোনো মূল্য নাই? এখানে অপরাধটা কী আমি জানতে চাই?”
তিনি আরও বলেন, “হ্যাঁ জামায়াত নেতা করলে সেখানে অনেক আলাপ আসবে কারণ তিনি নিজকে ধর্মীয় রাজনীতির নেতা মনে করেন। কিন্তু তাতে তার পূত্র বা অন্য কাউকে ফ্রেম করে মোরাল পুলিশিং এর মানে কী?”
প্রশ্ন তুলে শামীম হোসেন সবশেষে বলেন, “সাংবাদিকতার নামে এসব মোর্যাল পুলিশিং অত্যন্ত লো কালচারের বহিঃপ্রকাশ। কিছু পেজ এসব করে বেড়ায় কিন্তু মূল ধারার গণমাধ্যম ভিউ এর নেশায় পূর্ণভাবে এসবের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মিনিমাম এথিক্স অব প্রফেশন তো থাকা চাই? নাকি এখন থেকে বেডরুমেও আপনারা ক্যামেরা নিয়ে বসে থাকতে চান?”