মুক্তিযুদ্ধের সুফলকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা বিরোধী দলে থাকাকালীন ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কাজ করেছি বর্তমানেও কাজ করে যাচ্ছি। এই মুক্তিযুদ্ধের সুফলকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাব।
আহমেদ আযম খান বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের যে অবদান। দেশের মানুষের যে অবদান এবং মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কি কি কাজ হচ্ছে এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী দিনে যে কাজগুলো করবো তা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের ইতিহাসের বড় অর্জন মুক্তিযুদ্ধ এ অর্জনকে আমরা লালন করি ধারণ করি। মুক্তিযুদ্ধকে জাতির কাছে চিরকালের জন্য স্মরণীয় করে রাখতে আমাদের দেশনেত্রী সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন জানান, মন্ত্রণালয়ের যে চলমান প্রকল্পগুলো আছে যে কার্যক্রম গুলো চালু আছে। এগুলো আগামীতে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারি সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকরা আমাদের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা যে প্রকল্পগুলি নেই তা বাস্তবায়ন হয় মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে। তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কোন ফিল্ড অফিস নেই। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা খুব ভালো হয়েছে। আশা করছি আগামীতে আমাদের কাজের গতি আরও বাড়বে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস নির্মাণ করা হয়েছে। আরো কিছু চলমান রয়েছে। ফ্যাসিবাদী আমলে এই প্রকল্পগুলোতে কি হয়েছে আপনারা সবাই জানেন।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটা সেক্টরে তারা দলীয়করণ করেছে, দুর্নীতি করেছে এগুলো নিয়ে জেলা প্রশাসকদের প্রশ্ন ছিল সেগুলোর আমরা যথাযথ জবাব দিয়েছি। এবং বলেছি আগামীতে এই দুর্নীতিগুলোর সঠিক তদন্ত করব এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের দুর্নীতি আর রিপিটেশন না হয় সেটা নিশ্চিত করব।







