বিক্ষোভের আগে বিরোধী ঐক্যের ডাক দিয়েছেন ককরোচ প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সিজেপির শনিবারের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ইন্ডিয়া জোটের বেশ কয়েকজন নেতানেত্রীই আটক হয়েছিলেন। আটক করা হয়েছিল দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ও কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে। তবে শনিবারের ওই বিক্ষোভ থেকে কংগ্রেস কিছুটা দূরে ছিল। অনেকের মতে, দেশের তরুণ প্রজন্ম সিজেপিকে সমর্থন করলে কংগ্রেসের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে কি না, তা নিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব সংশয়ে ছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা বুঝতে পারছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করতে হলে সিজেপির হাত আরো শক্ত করা ছাড়া উপায় নেই।
এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাহুলের মন্তব্যেও তার ইঙ্গিত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ব্যানার ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু লক্ষ্য একটাই। সব প্রতিবাদই আসলে এক দাবিতে—নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।’
বুধবার বিকেলে রাহুল তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত চা চক্রে দীপকেকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে মহারাষ্ট্রে থাকায় যোগ দিতে পারেননি ককরোচপ্রধান। এরপর বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সব বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়েছেন দীপকে। ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ছাত্র ও যুবসমাজের কাছেও।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন







