৭১ মিনিটে ভিএআরের সহায়তায় ঘটনাটি পুনরায় পর্যালোচনা করতে যান রেফারি। রিপ্লেতে দেখা যায়, পারেদেসের বিরুদ্ধে যে ফাউলের সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছিল, সেটি আসলে এমবোলোর অভিনয় (সিমুলেশন) হতে পারে। ভিডিও পর্যালোচনা শেষে রেফারি আগের সিদ্ধান্ত বদলে এমবোলোকে সিমুলেশনের দায়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। ফলে ৭২ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সুইস এই ফরোয়ার্ড।
লাল কার্ডের সিদ্ধান্তে সুইস খেলোয়াড়রা তীব্র প্রতিবাদ জানান। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া এমবোলোকে মাঠ থেকে বের করে নিতে সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের সহায়তা নিতে হয়। শেষ ২০ মিনিটেরও কম সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় সুইজারল্যান্ডকে।
এর আগে এনদোয়ের সমতাসূচক গোলে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে এসে আধিপত্য বিস্তার করছিল। তবে এমবোলোর বিদায়ের পর সেই গতি থেমে যায়। এক খেলোয়াড় বেশি নিয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার বড় সুযোগ পেয়ে যায়।