মঙ্গলবার, ১১-ডিসেম্বর-২০১৮ ইং | রাত : ০১:২৮:২৩ | আর্কাইভ

যেসব নির্বাচনে ইইউ প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে না

তারিখ: ২০১৮-১১-২৮ ০৫:১৭:১৭ | ক্যাটেগরী: জাতীয় | পঠিত: ১৩ বার

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কোনো প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ইইউ এর রাষ্টদূত রেনজি টিরিংক। তবে ইইউর নির্বাচনী একটি বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশে ৪০ দিন অবস্থান করবে। বাংলাদেশের নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। সেইসঙ্গে নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছু সুপারিশও দেবেন বলে জানান তিনি।

বুধবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।


ইইউ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ সফরে আসা ইইউ নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ এবং দল প্রধান ডেভিড নয়েল ওয়ার্ড। এছাড়া প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলাদেশ সফরে আসা নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ ইরিনি-মারিয়া গোওনারি।

প্রায় ১ ঘণ্টা বৈঠক শেষে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক না পাঠানো এবং নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইইউ রাষ্ট্রদূত রেনজি টিরিংক বলেন, অনেক কারণেই বাংলাদেশে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানো হয়নি। একটি পূর্ণ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে বেশ আগ থেকেই অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়। যার প্রস্তুতি কমপক্ষে ৬ মাস আগে থেকে শুরু করতে হয়। আমাদের অন্যান্য অংশীদার দেশগুলো থেকেও নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর চাপ রয়েছে। ফলে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ইইউ হেডকোয়াটার নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। ফলে যতগুলো দেশ থেকে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ এসেছে, তার সবগুলো রাখা ইইউর পক্ষে সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ফলে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ইইউ পাঠায়নি। তবে ইইউ চেষ্টা করেছে একটি নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ দল প্রেরণের। যার মাধ্যমে ইইউ বাংলাদেশের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে।

নির্বাচন কমিশনকে ইইউ পক্ষ থেকে কী ধরনের সুপারিশ করা হয়েছে এবং তার জবাবে ইসি থেকে কী জানানো হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাফল্য কামনা করেছি। কারণ ১০ কোটি ৪০ লাখ ভোটার এবং ৪০ হাজার নির্বাচনী কেন্দ্র নিয়ে ইসির সামনে একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। আমরা আশা করি, এটি একটি বেশ প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হবে। সেইসঙ্গে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।

ইইউ নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ দলের সফরের উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি বলেন, তাদের সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের নির্বাচনে ইইউ আগ্রহ রয়েছে তা প্রকাশ করা। ইইউ বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের দিকে চোখ রাখছে।

এছাড়াও বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

তারিখ সিলেক্ট করে খুজুন