মঙ্গলবার, ১১-ডিসেম্বর-২০১৮ ইং | রাত : ০২:৩৭:৫৫ | আর্কাইভ

দশ বছরে অর্থমন্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে কোটি টাকারও বেশি

তারিখ: ২০১৮-১১-২৭ ০৭:৫৫:৩৪ | ক্যাটেগরী: অর্থনীতি | পঠিত: ১২ বার

দশ বছরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকার। ২০০৮-০৯ করবর্ষে তাঁর ১ কোটি ১৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকার প্রকৃত বা নিট সম্পদ ছিল। ২০১৮-১৯ করবর্ষে তা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

সচিবালয়ে গতকাল সোমবার জনসমক্ষে নিজের সম্পদবিবরণী দাখিলের সময় অর্থমন্ত্রী নিজেই এ তথ্য জানান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য কালীপদ হালদারসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারী ও সাংবাদিকদের সামনে অর্থমন্ত্রী অনলাইনে সম্পদবিবরণী দাখিল করেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, এবার তাঁর মোট আয় হয়েছে ৩৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। আর আয়করের পরিমাণ ২ লাখ ২২ হাজার ৯২১ টাকা। মোট আয়কর থেকে গতকাল পে-অর্ডারের মাধ্যমে দেন তিনি ৬৮ হাজার ৪৭৮ টাকা, বাকিটা আগেই দিয়েছেন। পুরো আয়ের মধ্যে কর আরোপযোগ্য নয়—এমন আয়ও রয়েছে বলে জানান তিনি। যে কারণে তিনি কিছু টাকা ফেরত পাবেন এবং প্রতিবছরই আয়কর দেওয়ার পর কিছু টাকা ফেরত পেয়ে থাকেন।

এবারের মোট আয়করের মধ্যে বেতন থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৩ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুহিত। অর্থমন্ত্রীর কয়েক বছরের আয়কর বিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, দশ বছরে তাঁর সবচেয়ে বেশি আয় হয় ২০১৪-১৫ করবর্ষে, ৭৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। আর সবচেয়ে কম আয় হয় ২০১১-১২ করবর্ষে, ১৮ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০০৯ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসার সময় দেশে করদাতার সংখ্যা ৭ লাখ ছিল উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, এরপর ২০১৫ সালে তা ১৫ লাখে উন্নীত হয়। আর সেটা গত তিন বছরে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ লাখে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৭-০৮ সময়েও মানুষ কর দিতে ভয় পেত। এখন আর সে পরিস্থিতি নেই। তরুণেরা এখন আনন্দের সঙ্গে কর দেয়।’

অন্য মন্ত্রী ও সাংসদেরা যদি অর্থমন্ত্রীর মতো এভাবে সম্পদবিবরণী দাখিল করতেন, তাহলে গোটা কর ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ত কি না—সাংবাদিকেরা এমন প্রশ্ন করলে মুহিত বলেন, অন্যরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সম্পদবিবরণী জমা দেন।

২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘জনপ্রতিনিধিদের আয়-ব্যয়ের হিসাব হবে উন্মুক্ত। আমি মনে করি, এটা প্রকাশ হওয়া উচিত।

তারিখ সিলেক্ট করে খুজুন