ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

মাদারীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

মাদারীপুর জেলার কালকিনিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম এসকেন্দার খাঁ (৭০)। তিনি কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ভাটবালী গ্রামের আমির হোসেন খাঁর ছেলে। আজ শনিবার দুপুর সা‌ড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এসকেন্দার।

নিহত এসকেন্দার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সদস্য। তিনি কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বেগমের অনুসারী ছিলেন।

এসকেন্দারের স্বজনদের অভিযোগ, মাদারীপুর-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী আবদুস সোবহান গোলাপের অনুসারীরা আজ সকালে তাঁকে কুপিয়ে আহত করে। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিলে দুপুর ১টায় তাঁর মৃত্যু হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক মিরাজ মোল্লা জানান, নিহত এসকেন্দারের সুরতহাল করা হয়েছে। তাঁর দুই পায়ে ও বাঁ হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটতে বের হন এসকেন্দার খাঁ। এ সময় মাদারীপুর-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপের সমর্থক ও লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক বেপারীর লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এসকেন্দার খাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। তাঁর পায়ের রগও কেটে ফেলা হয়। বাধা দিতে এলে আরেকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে দুজনকেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এসকেন্দারের ছেলে মিলন জানান, আজ সকাল ৬টায় তাঁর বাবা মাছ বিক্রি করার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় পথরোধ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সোবাহান গোলাপের অনুসারীরা তাঁকে উপর্যুপরি কুপিয়ে আহত করে। মিলন বলেন, ‘আমার বাবা স্বতন্ত্র প্রার্থী তহমিনা বেগমের সমর্থক ছিলেন। সে জন্য তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। আমরা খবর পেয়ে তাঁকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

মাদারীপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোসা. তাহমিনা বেগম বলেন, ‘আমার এক কর্মীকে নৌকার পক্ষের লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছে। আসলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াতে তারা এগুলো করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

মাদারীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩

মাদারীপুর জেলার কালকিনিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম এসকেন্দার খাঁ (৭০)। তিনি কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ভাটবালী গ্রামের আমির হোসেন খাঁর ছেলে। আজ শনিবার দুপুর সা‌ড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এসকেন্দার।

নিহত এসকেন্দার উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সদস্য। তিনি কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বেগমের অনুসারী ছিলেন।

এসকেন্দারের স্বজনদের অভিযোগ, মাদারীপুর-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী আবদুস সোবহান গোলাপের অনুসারীরা আজ সকালে তাঁকে কুপিয়ে আহত করে। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিলে দুপুর ১টায় তাঁর মৃত্যু হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক মিরাজ মোল্লা জানান, নিহত এসকেন্দারের সুরতহাল করা হয়েছে। তাঁর দুই পায়ে ও বাঁ হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটতে বের হন এসকেন্দার খাঁ। এ সময় মাদারীপুর-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপের সমর্থক ও লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক বেপারীর লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এসকেন্দার খাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। তাঁর পায়ের রগও কেটে ফেলা হয়। বাধা দিতে এলে আরেকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে দুজনকেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এসকেন্দারের ছেলে মিলন জানান, আজ সকাল ৬টায় তাঁর বাবা মাছ বিক্রি করার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় পথরোধ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সোবাহান গোলাপের অনুসারীরা তাঁকে উপর্যুপরি কুপিয়ে আহত করে। মিলন বলেন, ‘আমার বাবা স্বতন্ত্র প্রার্থী তহমিনা বেগমের সমর্থক ছিলেন। সে জন্য তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। আমরা খবর পেয়ে তাঁকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

মাদারীপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোসা. তাহমিনা বেগম বলেন, ‘আমার এক কর্মীকে নৌকার পক্ষের লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছে। আসলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াতে তারা এগুলো করছে।