ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে জঙ্গি হামলা, নিহত ৩

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখায়ার ট্যাঙ্ক জেলার পুলিশ সদর দপ্তরে শুক্রবার হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। এ ঘটনায় ৩ পুলিশ নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তিন জঙ্গিকে হত্যার দাবি করেছে দেশটির পুলিশ।

একই প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খান জেলার একটি সামরিক ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলায় ২৩ জন সেনা সদস্য নিহত হওয়ার দুই দিনের মধ্যেই নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর আবারও হামলার এই ঘটনা ঘটলো।

পুলিশ কর্মকর্তা ইফতিখার শাহ রয়টার্সকে বলেছেন, ডেরা ইসমাইল খান জেলার পার্শ্ববর্তী ট্যাঙ্ক জেলায় শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরে হামলা চালায় একদল জঙ্গি। প্রথমে একজন জঙ্গি পুলিশ লাইনের মূল গেটে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর বাকি জঙ্গিরা প্রবেশ করে গুলি করা শুরু করে।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তায় থাকা সদস্যরা কয়েক ঘণ্টা ধরে জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করেন। হামলায় আরও দুই পুলিশ কমকর্তা আহত হয়েছেন। পুলিশ লাইনের সব কন্টিনজেন্টকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান আখতার হায়াত বলেছেন, তিন হামলাকারী নিহত হয়েছে। আরও জঙ্গিদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়ায় এলাকাজুড়ে অভিযান চলছে। রয়টার্সের এক সাংবাদিকের কাছে পাঠানো বিবৃতিতে দেশটির আনসার-উল-ইসলাম নামে একটি স্বল্প পরিচিত জঙ্গি গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, এটি তাদের প্রথম হামলা।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করেছে। বিশেষ করে ওয়াজিরিস্তান অঞ্চলের পাশের জেলায় যেখানে সর্বশেষ হামলা ঘটনা ঘটেছে। এ অঞ্চলটি একসময় স্থানীয় ও বিদেশি জঙ্গিদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

আফগানিস্তানে দুই বছর আগে তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা এসব ঘটনায় আফগানিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে আসছে ইসলামাবাদ। এদিকে এসবের সঙ্গে নিজেদের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি তালেবান সরকারের।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে জঙ্গি হামলা, নিহত ৩

আপডেট সময় ০২:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখায়ার ট্যাঙ্ক জেলার পুলিশ সদর দপ্তরে শুক্রবার হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। এ ঘটনায় ৩ পুলিশ নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তিন জঙ্গিকে হত্যার দাবি করেছে দেশটির পুলিশ।

একই প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খান জেলার একটি সামরিক ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলায় ২৩ জন সেনা সদস্য নিহত হওয়ার দুই দিনের মধ্যেই নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর আবারও হামলার এই ঘটনা ঘটলো।

পুলিশ কর্মকর্তা ইফতিখার শাহ রয়টার্সকে বলেছেন, ডেরা ইসমাইল খান জেলার পার্শ্ববর্তী ট্যাঙ্ক জেলায় শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরে হামলা চালায় একদল জঙ্গি। প্রথমে একজন জঙ্গি পুলিশ লাইনের মূল গেটে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর বাকি জঙ্গিরা প্রবেশ করে গুলি করা শুরু করে।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তায় থাকা সদস্যরা কয়েক ঘণ্টা ধরে জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করেন। হামলায় আরও দুই পুলিশ কমকর্তা আহত হয়েছেন। পুলিশ লাইনের সব কন্টিনজেন্টকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান আখতার হায়াত বলেছেন, তিন হামলাকারী নিহত হয়েছে। আরও জঙ্গিদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়ায় এলাকাজুড়ে অভিযান চলছে। রয়টার্সের এক সাংবাদিকের কাছে পাঠানো বিবৃতিতে দেশটির আনসার-উল-ইসলাম নামে একটি স্বল্প পরিচিত জঙ্গি গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, এটি তাদের প্রথম হামলা।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করেছে। বিশেষ করে ওয়াজিরিস্তান অঞ্চলের পাশের জেলায় যেখানে সর্বশেষ হামলা ঘটনা ঘটেছে। এ অঞ্চলটি একসময় স্থানীয় ও বিদেশি জঙ্গিদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

আফগানিস্তানে দুই বছর আগে তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা এসব ঘটনায় আফগানিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে আসছে ইসলামাবাদ। এদিকে এসবের সঙ্গে নিজেদের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি তালেবান সরকারের।